জুলফিকারকে কারাগারে প্রেরণ : রিমান্ড শুনানী সোমবার
গোলাম ফারুক দুলাল:-মাজারের ২ কোটি টাকা লুটের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া র্যাব-৭ (চট্টগ্রাম) এর সাবেক অধিনায়ক লে. কর্নেল (বরখাস্ত) জুলফিকার আলী মজুমদারকে জেল হাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।
শুক্রবার বেলা সাড়ে ৩টায় আনোয়ারা থানা পুলিশ তাকে চট্টগ্রাম জুড়েশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবু সালেম মো. নোমানের আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত আগামী সোমবার রিমান্ডের শুনানীর দিন ধার্য্য করেন। এবং অভিযুক্ত র্যাব কর্মকর্তাকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
এর আগে বেলা পৌনে ৩টায় আনোয়ারা থানা পুলিশ কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বরখাস্তকৃত র্যাব কর্মকর্তা জুলফিকার আলী মজুমদারকে আদালত ভবনে হাজির করেন।
বুধবার গভীর রাতে রাজধানীর রমনা থানা এলাকা থেকে গ্রেফতারের পর বৃহস্পতিবার রাতে তাকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে নিজেকে নির্দোষ দাবী করে জুলফিকার বলেন, আমি গভীর ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছি। ইনশল্লাহ আদালতের রায়েই প্রমাণিত হবে আমি কোন টাকা লুট করিনি।
আনোয়ারা থানার ওসি মো.শাহজাহান জানান, রাতে তাকে ঢাকা থেকে নিয়ে আসার পর এখানে দায়ের করা মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এজন্য ৭ দিন রিমান্ড চেয়েছি। আদালত সোমবার রিমান্ড শুনানীর দিন ধার্য্য করে তাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন।
উল্লেখ্য র্যাব-৭ এর তৎকালিন অধিনায়ক লে. জুলফিকারের নেতৃত্বে র্যাবের একটি দল গত বছরের ৪ নভেম্বর চট্টগ্রামের আনোয়ারায় তালাসরা দরবারের ২ কোটি সাত হাজার টাকা লুট করে। এ ঘটনায় গত ১৩ মার্চ তালসরা দরবারের গাড়ি চালক ইদ্রিস আলী বাদী হয়ে ডাকাতির মামলা করেন। আসামিদের মধ্যে ১০ জন র্যাব সদস্য ও দুজন র্যাবের সোর্স।
জানাগেছে লে. জুলফিকার আলী ঢাকার রমনা এলাকায় তার এক গার্মেন্টস ব্যবসায়ী বন্ধুর বাসায় আত্ম গোপন করে থাকাবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে চট্টগ্রামের আনোয়ারা থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। পুলিশের একটি সূত্র জানায়, জুলফিকার গত ৩০ এপ্রিল সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যূত হন। ওই দিন রাতে তার কর্মস্থল আর্মি রিসার্চ ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড (আর্টডক) থেকে বের হয়ে আত্মগোপন করেন।




