বৈরি আবহাওয়ার কারনে মায়ানমার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থমকে গেছে
আবুল আলী, টেকনাফ(কক্সবাজার) : বৈরি আবহাওয়ার কারনে মায়ানমার রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ থমকে গেছে। সর্তক সংকেত ও ভারী বর্ষনের কারনে রোহিঙ্গারা সাগর ও নদী পাড়ি দিতে পারছেনা। সৃষ্ট ঘটনার পর পর রোহিঙ্গারা অনুপ্রবেশ করতে চেষ্টা করে। ১৫ জুন শুত্রবার টেকনাফ সীমান্ত এলাকা থেকে রোহিঙ্গা আসা অনেকটা বন্ধ হয়ে পড়েছে। তবে বৈরি আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে রোহিঙ্গারা আবারও অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাতে পারে বলে আশংকা সংশি¬ষ্টদের। তবে কোষ্টর্গাড ও বিজিবি সীমান্তে সতর্কাবস্থায় রয়েছে। এদিকে ১৫ জুন শুক্রবার থেকে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধ হলে টেকনাফে নৌযানের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেয় স্থানীয় প্রশাসন। ফলে স্থানীয় জেলেরা সাগরে মাছ ধরতে যেতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে এবং তাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে আছে। তবে সীমান্তে রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশে সহযোগিতা না করার জন্য অনুরুধ জানায় প্রশাসন।
মায়ানমার আরাকান রাজ্যে রাখাইন সন্ত্রাসীদের নির্যাতনে ১১ জুন থেকে রোহিঙ্গারা টেকনাফে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে। মায়ানমার সৃষ্ট ঘটনার পর থেকেই রোহিঙ্গাদের টেকনাফ সীমান্তে অনুপ্রবেশ ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নেয় কোষ্টর্গাড ও বিজিবি। গত ১১ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত প্রায় ৮ শত রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠিয়েছে সংশি¬ষ্টরা। তবে স্থানীয়দের আশংকা, মায়ানমার সরকার কারফিউ তুলে নিলে রোহিঙ্গারা আবারও সীমান্তে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে পারেন। এদিকে মায়ানমারে সৃষ্ট ঘটনার ফলে বর্ডার ও ট্রানজিট পাশ গত এক সাপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে। টেকনাফ স্থল বন্দরে সীমান্ত বানিজ্যের পন্য গত ৫/৬ দিন ধরে বন্ধ রয়েছে। মায়ানমার পণ্য বোঝাই দুটি ট্রলার ৫দিন পর সোমবার পণ্য খালাস না করেই মায়ানমারে চলে যায়। তবে মায়ানমার এ ঘটনায় সরকার বন্দরসহ অন্যখাত থেকে প্রতিনিয়ত কোটি টাকার মত রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচেছ ।




