মীরসরাইয়ে ছাত্রলীগের প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ৬; পিস্তল ও গুলি সহ আটক ১
ইলিয়াছ রিপন, মীরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি ঃ মীরসরাইয়ের জোরারগঞ্জে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের একপক্ষের হামলায় অপরপক্ষের ৬ জন আহত হয়েছে। পুলিশ হামলার সাথে জড়িত এক ব্যক্তিকে এলজি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও দুটি ছুরি সহ আটক করেছে।পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রাত সাড়ে এগারটার সময় সুকুমার বণিক ও ইকবাল হোসেন রণিসহ কয়েকজন জোরারগঞ্জ হাইস্কুল গেইটের সামনে ব্যাক্তিগত আলাপচারিতার সময় একটি মোটরসাইকেলে করে অপরগ্রুপের ছাত্রলীগ কর্মী মোঃ আরিফ (৩৫) ও তার সহযোগীরা তাদের ওপর খুর, ছুরি নিয়ে হঠাৎ হামলা চালায়। এতে করে অন্তত ৬জন আহত হয়। এদের মধ্যে সুকুমার বণিক (২৬) ও ইকবাল হোসেন রণি (২৫) গুরুতর রক্তাক্ত জখম হয়ে রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে। তাদের চিৎকারে ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনতা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে মোটরসাইকেল সহ মোঃ আরিফকে আটক করে গণপিটুনি দেয়। পরে পুলিশকে খবর দিলে রাতে পুলিশ এসে আরিফকে আটক করে এবং তার সাথে থাকা একটি দেশীয় এলজি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও দুটি ছুরি উদ্ধার করে মীরসরাই থানায় নিয়ে আসে। আহতদের তৎক্ষনাৎ স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে গুরুতর জখম হওয়া সুকুমার ও রণিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।
এ ব্যাপারে মীরসরাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) ইমতিয়াজ মোহাম্মদ আহসানুল কাদের ভূঁইয়া জানান, ‘ঘটনার দিন রাত সাড়ে এগারটার সময় আমরা হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে একটি দেশীয় এলজি পিস্তল, দুই রাউন্ড গুলি ও দুটি ছুরিসহ সন্ত্রাসী আরিফকে আটক করে থানা নিয়ে আসি।’ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি এ ব্যাপারে আহত ব্যক্তির আত্মীয় বাদী হয়ে মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলেও তিনি জানান।
উল্লেখ্য, জোরারগঞ্জে আধিপত্যকে কেন্দ্র করে অনেক দিন ধরে ছাত্রলীগের ফরিদুর রহমান ভূঁঞা ও মাঈন উদ্দিন টিটু গ্রুপের মধ্যে অন্তঃকোন্দল বিরাজ করছে। হামলাকারী আরিফ টিটু গ্রুপের কর্মী বলেও জানা যায়। এরপূর্বে এ বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারী টিটু গ্রুপ ফরিদ গ্রুপের সংঘর্ষে কয়েকজনকে মারাত্মকভাবে আহত হয়।




