Author Archives: গোলাম ফারুক দুলাল

About গোলাম ফারুক দুলাল

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম/গোলাম ফারুক দুলাল/বা.স.

Chittagong_51244

নিখোঁজ সাব্বির ও উদয় মাহমুদের সন্ধান এখনও মেলেনি

Chittagong_51244

কক্সবাজারের সেন্টমার্টিনে ৭ দিন ধরে নিখোঁজ সাব্বির হাসান স্বাগত ও উদয় মাহমুদের সন্ধান এখনও মেলেনি। তাদের সন্ধানে প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যা অভিযান চালাচ্ছেন কোস্টগার্ড, নৌবাহিনী পুলিশ ও স্থানীয়রা।
কক্সবাজার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দুই ছাত্রের খোঁজে নৌবাহিনীর জাহাজ বিএন শাপলা ও কোস্টগার্ডের পাঁচটি দল উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রেখেছে। তবে রবিবার সকাল পর্যন্তও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি।

সেন্টমার্টিন কোস্টগার্ড স্টেশনের কমান্ডার ও উদ্ধার অভিযানের সমন্বয়কারী লে. শহিদ আল আহসান জানান, ধারণা করা হচ্ছে, দুই ছাত্রের মৃতদেহ উপকূল থেকে দূরে চলে গেছে। তবে, সেন্টমার্টিনের পাশাপাশি টেকনাফ, শাহপরীর দ্বীপ, কক্সবাজার, সোনাদিয়া ও কুতুবদিয়া উপকূলেও কোস্টগার্ডকে তল্লাশির নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নুরুল আমিন জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে দ্বীপের চারদিকে কোস্টগার্ড, স্থানীয় প্রশাসন ও ফিশিং বোট মালিক সমিতির লোকজন নিখোঁজ ছাত্রদের সন্ধানে তৎপরতা চালাচ্ছেন।

প্রসঙ্গত, ১৪ এপ্রিল সেন্টমার্টিনে বেড়াতে এসে সাগরে গোসল করতে নেমে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ জন ছাত্র স্রোতের টানে ভেসে যান। পাঁচজনকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। বাকি চারজন নিখোঁজ হন। পাঁচ জনের মধ্যে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মানফেজুল ইসলাম ও সাদ্দাম হোসেন মারা যান। নিখোঁজ চারজনের মধ্যে শাহরিয়ার ইসলাম নোমান ও এস এম গোলাম রহিম বাপ্পীর লাশ বুধবার কোস্টগার্ড সদস্যরা উদ্ধার করেন।

biye3

বিয়ের পর স্বামীকে ভালোবাসার পাশাপাশি ভালোবাসুন অন্যদেরও

biye3এমন কোনো বাঙালি মেয়ে নেই যে মনের কোণে নিজের বিয়ে নিয়ে স্বপ্ন সাজায়নি। স্বপ্নের নানা আঁকিবুঁকিতে তন্ময় মেয়েটি একদিন পা দেয় এক নতুন জীবনে।

নতুন মানুষ, ঘর, সমাজ আর পরিবেশ সব মিলেই বিয়ে। বিয়ের পর একটি নতুন পরিবেশে একেবারে অপরিচিত বা সামান্য পরিচিত মানুষের সঙ্গে খাপ-খাইয়ে নেওয়া মুখের কথা নয় বটে, তবে খুব কঠিনও নয়। গ্রহণের মানসিকতা থাকতে হয় দু’পাশ থেকেই। শুধু নতুন পরিবারের মানুষগুলো হাত বাড়িয়ে দিলে যেমন তা ধরে রাখা যায় না, তেমন নতুন মানুষটির একার চেষ্টায়ও হয় না কিছুই।

এবারের আয়োজনে থাকছে নতুন কনের সম্পর্ক গঠনের কিছু টিপস।

সম্মান ও আস্থা রাখুন সবার ওপর

নতুন পরিবেশে গিয়ে সবার আগে প্রয়োজন হবে সম্মানবোধের। সম্পর্ক ও বয়স যেমনই হোক সবাইকে সম্মান করুন, তবেই না নিজে সম্মান পাবেন। পারিবারিক সম্পর্কের মূলে থাকে আস্থা।

অপ্রীতিকর পরিস্থিতিতে নিজের ওপর আস্থা রাখুন

যেহেতু দুটি পরিবারের মানুষ কখনোই এক ধরণের মানসিকতার হবে না, তাই তাদের আচরণ, খাদ্যাভ্যাস, পরিচ্ছদ আর ভাবনাও এক হবে না। এ ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব মানিয়ে নিন।

অপছন্দ বলুন হাসিমুখে

আপনার পছন্দ-অপছন্দ জানার আগেই সেটা কেউ করবে না এমন আশা না রাখাই ভালো। পছন্দের কথা যেমন হাসিমুখে জানাবেন তেমন অপছন্দের কথাও জানান হাসিমুখে, শান্ত স্বরে। এ ক্ষেত্রে সবাইকে এক সঙ্গে বুঝিয়ে বলতে যাবেন না। পরিবারে আপনার সঙ্গে যার সম্পর্ক ভালো তাকে বলুন। সে হতে পারে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদ, দেবর, ভাশুর বা জা যে কেউ। ধীরে ধীরে সবাইকে অভ্যস্ত করুন।

ভালবাসুন

বিয়ের পর স্বামীকে ভালোবাসার পাশাপাশি ভালোবাসুন অন্যদেরও। ভালোবাসা দিতে না পারলে পাবেন কেমন করে? বাড়িতে শিশু থাকলে আদর দিন। বৃদ্ধ থাকলে তার সঙ্গে গল্প করুন। তাদের মতামতের গুরুত্ব দিন। আর সমবয়সীদের সঙ্গে সম্পর্ক করুন বন্ধুত্বপূর্ণ।

শ্বশুর-শাশুড়িকে খুশি রাখুন

নতুন বউর কাছে শাশুড়ির প্রত্যাশা একটু বেশিই থাকে। ছেলের ওপর মায়ের দাবি আর নির্ভরতাও থাকে অনেক। সেটাকে ভাঙতে যাবেন না। বরং সেটাকে সম্মান দিন। শ্বশুরকে সময় দিন। শাশুড়ির কাজে সহায়তা করুন। তাদের অবসরের সঙ্গী হন কখনো কখনো। এক বিকেলে অন্তত তাদের সঙ্গে চা পান করুন। দেখবেন, সম্পর্ক সহজ হবে অনেকটাই।

স্বামীকে সময় দিন

আপনার নতুন জীবনে প্রবেশ যে মানুষটির হাত ধরে কখনো কাজের চাপে তাকে ভুলে যাবেন না। সুখ-দুঃখ-আনন্দ ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি স্বামীর কাছে থাকুন রহস্যময় ও আকর্ষণীয় হয়ে। ঘুরতে যাওয়া, গল্প করা, মুভি দেখা এসবের পাশাপাশি তাকে দিন পরিপূর্ণ স্বাধীনতা। আপনার চাপে যেন সে বিরক্ত না হয় সেটা খেয়াল রাখুন।

সন্দেহ করবেন না

অধিকাংশ সম্পর্ক নষ্ট হয় সন্দেহের জন্য । পরিবারের কাউকে সন্দেহ করবেন না । জানার থাকলে আলোচনা করুন । কথা বলে সমাধান করুন। কী, কেন, কীভাবে, কার সঙ্গে, কীসের জন্য, কখন, কবে এসব প্রশ্নে পরিমিত বোধ রাখুন।

অতিরিক্ত চাহিদা থেকে বিরত থাকুন

নতুন জীবনে আপনার চাহিদা থাকতে পারে অনেক কিছুই। কিন্তু সে সবের পেছনে যুক্তি চিন্তা করুন। সামর্থ্য নেই এমন কিছু দাবি করবেন না। সেটা একদিক থেকে যেমন বিব্রতকর, তেমন যন্ত্রণাদায়কও বটে।

তবে এসব কিছুর মূলে রয়েছে খুশি থাকতে পারা । জীবনে যা কিছু ঘটছে সহজভাবে নিয়ে খুশি থাকতে চেষ্টা করুন। কী পেলাম না ভেবে মাথা গরম না করে কী পেয়েছি সে হিসাব কষুন। আর এগিয়ে যান হাসিমুখে।

hot_sun_51211

প্রচণ্ড গরমে দিশেহারা নগরজীবন

hot_sun_51211তাপদাহে জ্বলছে দেশ। ইতোমধ্যে দেশের কোনো কোনো স্থানে হালকা ধরনের বৃষ্টি হলেও আরো এক সপ্তাহের মধ্যে তাপদাহের হলকা প্রশমিত করার মতো ভারী বৃষ্টির সুখবর নেই। দেশব্যাপী বর্তমানে চলছে তাপপ্রবাহ। দেশের প্রায় সর্বত্র মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহে শুকিয়ে আছে দেশ। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা গত সপ্তাহ থেকে ৩৯ থেকে ৪০ এর মধ্যে থাকছে। তা সত্ত্বেও প্রতিদিনই দেশের কোথাও কোথাও দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আঘাত করছে। আবার কোথাও বয়ে যাচ্ছে কালবৈশাখী। এর ফলে স্থানীয়ভাবে সাময়িক ঝড়-বৃষ্টিতে তাপমাত্রা সহনীয় হয়ে উঠলেও পর দিনই তাপমাত্রা আগের অবস্থানে চলে আসছে।



ভারী বৃষ্টি না হওয়াটা অবশ্য কোনো কোনো এলাকার কৃষকের জন্য খুবই আকাক্সিত। যারা আগেই সেচ দিয়ে বোরো চাষ করেছেন তাদের ক্ষেতে ধান পাকবে পাকবে অবস্থায় আছে। এসব কৃষক কায়মনোবাক্যে দোয়া করছেন আল্লাহ যেন ধান ওঠানোর পর বৃষ্টিটা দেন।



আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এ মুহূর্তে বাংলাদেশের আকাশে মেঘ সৃষ্টি হওয়ার মতো পরিবেশ নেই। বিচ্ছিন্নভাবে হয়তো কোনো কোনো স্থানে মেঘ হচ্ছে; কিন্তু তা থেকে বৃষ্টি হতে পারছে না। বৃষ্টি ঝরানোর মতো প্রয়োজনীয় জলীয় বাষ্প মেঘে থাকছে না। এটা ছাড়াও যেটুকু মেঘ সৃষ্টি হচ্ছে তা বাংলাদেশের আকাশে আটকানোর পরিবেশও অনুপস্থিত।



আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমান জানিয়েছেন, বৃষ্টি হতে হলে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে জলীয় বাষ্প সমৃদ্ধ বায়ু বাংলাদেশের ওপর দিয়ে উড়ে যেতে হবে। আবার বাষ্প সমৃদ্ধ বায়ুকে বিপরীত দিক থেকে অর্থাৎ উত্তর-পূর্ব দিক থেকে আসা আরেকটা বাতাস এসে আটকে দিতে হবে। তাহলেই বৃষ্টি হতে পারে। এ মুুহূর্তে বাংলাদেশের আকাশে এ ধরনের অবস্থা অনুপস্থিত। তিনি বলেন, দণি-পশ্চিম দিক থেকে বাতাস আসছে না ও যা আসছে তা বাংলাদেশের উপকূলের দিক থেকে। এ বাতাসে যথেষ্ট জলীয় বাষ্প থাকছে না। বাতাস যত দূর থেকে আসবে তাতে তত বেশি জলীয় বাষ্প থাকে। অনেক দূর থেকে আসে বলে মওসুমি বায়ুর প্রভাবে বাংলাদেশে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।



আবহাওয়াবিদ আব্দুর রহমানের মতে, বর্তমানে যে গতিতে বায়ু প্রবাহিত হচ্ছে দেশের স্থলভাগে এবং সাগরে তাতেও বৃষ্টি হবে না। বাতাসের গতি আরো বাড়তে হবে। গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৮ থেকে ১৫ কিলোমিটার। এটা অবশ্য আসছিল দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে। এটা সৃষ্টি হয় আন্দামান উপসাগর এলাকা থেকে। দেশের অন্যত্র বাতাসের স্বাভাবিক গতি এর চেয়ে কিছুটা কম অথবা বেশি ছিল।



উল্লেখ্য, বাংলাদেশে মওসুমি বায়ু আসে আন্দামান উপসাগরীয় এলাকা থেকে। পরে এটি পশ্চিম-উত্তর দিকে প্রবাহিত হয়ে শ্রীলঙ্কান উপকূলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে ভারতের অন্ধ্র উপকূলের দিক স্পর্শ করে উড়িষ্যা, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ হয়ে অবশেষে বাংলাদেশে তা প্রবেশ করে। এ বায়ু  বেশির ভাগ সময় সাগরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয় বলে এটা প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প নিয়ে আসে। ফলে বর্ষাকালে (জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত) বাংলাদেশে ভারী বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।



দীর্ঘদিন বৃষ্টি হচ্ছে না বলে থার্মোমিটারের পারদ কেবল ওপরের দিকেই উঠছে। ফলে সৃষ্টি হচ্ছে তাপপ্রবাহের। গতকাল সন্ধ্যার পর থেকে আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পাবনা ও সিলেট অঞ্চলসহ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে বর্তমান সময়ের চেয়ে আবহাওয়া কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। তবে পাঁচ দিন পরের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পাঁচ দিন পর বৃষ্টিপাত শুরু হতে পারে।



দেশব্যাপী প্রচণ্ড তাপদাহে বিশুদ্ধ পানির হাহাকার দেখা দিয়েছে। বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকার কারণে মাটি শুকিয়ে শুষ্ক হয়ে যাচ্ছে। ফলে পানিতে জীবাণুর পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে শহরাঞ্চলে কাঁচা পানি পান করে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। শিশু ও বৃদ্ধদের দেহে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকায় তারাই বেশি করে আক্রান্ত হচ্ছে। ঢাকার মহাখালীর আইসিডিডিআরবি হাসপাতালে প্রতিদিনই প্রায় ৬০০ রোগী ভর্তি হচ্ছে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, এ সময় প্রচুর পানি পান করলে হিটস্ট্রোক থেকে রেহাই পাওয়া যাবে। বাসি খাবার পরিহার করতে হবে, শহরাঞ্চলে কাঁচা পানি পান না করার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।



সাগরের অবস্থা : বর্তমানে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি স্বাভাবিক লঘুচাপ বিরাজ করছে। আবহাওয়ার মাসব্যাপী পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, চলতি এপ্রিল মাসে বঙ্গোপসাগরে একটি অথবা দু’টি নিম্নচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এর মধ্যে থেকে একটি নিম্নচাপ ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ মাসে দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে একটি ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের চেয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ এবং অন্যত্র দুই থেকে তিনটি মৃদু ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং মাঝারি ৩৮ থেকে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস বিশিষ্ট তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে।

 

prity_shilpa_51266

আজ প্রীতি-শিল্পার লড়াই

prity_shilpa_51266আবু ধাবিতে জমজমাট হয়ে উঠেছে আইপিএল সেভেনের লড়াই। আইপিএলকে অনেকে মুম্বাই স্টারদের লীগ ভেবেও আলাদা আনন্দ কুড়িয়ে থাকেন। আইপিএলের আজকের লড়াই সেদিক থেকে মুম্বাই স্টার প্রীতি জিনতা ও শিল্পা শেঠির লড়াই।

শুক্রবার রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ জিতে স্বপ্নের শুরু করেছে প্রীতি জিনতার কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব এবং শিল্পা শেঠির রাজস্থান রয়্যালস।

আবু ধাবিতে প্রথম ম্যাচে চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে ২০৫ রানের পাহাড় ডিঙ্গানো জয়ে এক ধাক্কায় আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে কিংস ইলেভেনের। অন্য দিকে রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে হারায় শিল্পার রাজস্থান।

অবশ্য খাতায়কলমে রাজস্থানের থেকে এগিয়ে থেকে আজ শুরু করবে পাঞ্জাব। এবার দলে অনেক হার্ড-হিটার নিয়েছেন প্রীতি।

তারপরও রাজস্থান রয়্যালসের লম্বা ব্যাটিং লাইন-আপ বেগ দিতে পারে কিংস ইলেভেনের বোলারদের। শুক্রবার ডেল স্টেইন, অমিত মিশ্রদের বিরুদ্ধে চার উইকেটে জয় আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করবে রয়্যালস ব্যাটসম্যানদের। বাইশ গজে না-নামলেও ডাগ-আউটে রাহুল দ্রাবিড়ের উপস্থিতি বাড়তি অক্সিজেন দেবে রয়্যালস ব্যাটসম্যানদের।

স্বাভাবিক ভাবেই মরু শহরে প্রীতি-শিল্পার লড়াইটা যে জমজমাট হবে, এটাই নিশ্চিত প্রায়।

Sakib+1

হারল সাকিবের কলকাতা

Sakib+1শুরুতে উইকেট হারিয়ে চাপে পড়লেও কলকাতা নাইট রাইডার্সকে লড়াই করার মতো সংগ্রহ এনে দিয়েছিলেন সাকিব আল হাসান। কিন্তু বোলারদের ব্যর্থতায় আইপিএলে নিজেদের প্রথম হার এড়াতে পারেনি সাবেক চ্যাম্পিয়নরা।

শনিবার দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের কাছে ৪ উইকেটে হেরেছে কলকাতা। অধিনায়ক কেভিন পিটারসেনকে ছাড়াই টানা দ্বিতীয় ম্যাচে খেলতে নামা দিল্লির এটি প্রথম জয়।

মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ব্যাটিংয়ে নামার সময় মাত্র ১০ বল ছিল। সেই ম্যাচে ব্যাট হাতে কিছু করতে পারেননি সাকিব। দিল্লির বিপক্ষে দ্বাদশ ওভারে মাঠে নেমে সুযোগ কাজে লাগাতে ভুল করেননি তিনি।

১১ ওভার শেষে কলকাতার সংগ্রহ ছিল ৭৫/৩। সাকিব মাঠে নামার পর শেষ ৯ ওভারে ৯১ রান যোগ করে তারা। এতে বড় অবদান সাকিবের। ২২ বলে অপরাজিত ৩০ রানের ইনিংস খেলার পথে দুটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকান তিনি।

শনিবার দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে ৫ উইকেটে ১৬৬ রান করে কলকাতা।

দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যানের দ্রুত বিদায়ে শুরুতেই চাপে পড়ে কলকাতা। টানা দ্বিতীয় ম্যাচে রান করতে পারেননি অধিনায়ক গৌতম গম্ভীর। শূন্য রানে ফেরেন জ্যাক ক্যালিসও।

তৃতীয় উইকেটে মনিশ পাণ্ডের সঙ্গে রবিন উথাপ্পার ৬৬ রানের জুটিতে কক্ষপথে ফেরে কলকাতা। শাহবাজ নাদিমের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৪৮ রান করেন মনিশ।

অর্ধশতকে পৌঁছানোর পর বিদায় নেন উথাপ্পা (৫৫)। তার ৪১ বলের ইনিংসে ছিল ৬টি চার ও ১টি ছক্কা। এ রান করার পথে সাকিবের সঙ্গে ৩৬ বলে ৫৭ রানের জুটি গড়েন তিনি।

দিল্লির পক্ষে নাথান কোল্টার-নাইল ২ উইকেট নেন ২৭ রানে।

জবাবে বল ৩ বাকি থাকতে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় দিল্লি।

মায়াঙ্ক আগারওয়াল (১৪ বলে ২৬) দলকে উড়ন্ত সূচনা এনে দিলেও দিল্লিকে জয়ের পথে নিয়ে যাওয়ার কৃতিত্ব দীনেশ কার্তিকের। সুনীল নারায়ণের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়ার আগে ৪০ বলে ৫টি চার ও ২টি ছক্কার সাহায্যে ৫৬ রান করেন তিনি।

দিল্লির জয়ে সবচেয়ে বড় অবদান জেপি ডুমিনির। ৩৫ বলে তিনটি করে ছক্কা ও চারের সাহায্যে ৫২ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

ব্যাট হাতে সাফল্য পেলেও বোলিংয়ে ভালো করেননি সাকিব। ৩ ওভারে ২৫ রান দেন এই বাঁহাতি স্পিনার।

shirin sarmin

জনস্বার্থ মামলা শোষিত-বঞ্চিতদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ‍গুরুত্বপূর্ণ

shirin sarmin

যুগ যুগ ধরেই সমাজের এক বিশাল জনগোষ্ঠী শোষণ আর বঞ্চনার শিকার। এই গোষ্ঠীর স্বার্থ রক্ষার জন্য বিভিন্ন সময়ে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। সংবিধানে উল্লেখিত মৌলিক অধিকার বাস্তবায়ন না করা হলে বা জনগোষ্ঠীকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হলে জনস্বার্থ মামলার বিধানও আছে।
সেই কথাটিই আজ জাতীয় সংসদের মাননীয় স্পিকার ড.শিরীন শারমিন চৌধূরী বলেছেন। তিনি বলেন,‘‘সমাজে যারা শোষিত ও বঞ্চিত তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় জনস্বার্থ মামলা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে ।’’
তিনি এই কথা বলেছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে ‘নাগরিকের অধিকার সুরক্ষায় জনস্বার্থ মামলার ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে।
এই সেমিনারের আয়োজন করে মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের প্রেসিডেন্ট অ্যাডভোকেট মনজিল মোরসেদ। এছাড়াও বক্তব্যে রাখেন উপমহাদেশের জনস্বার্থ মামলার আইনজীবী মহেশ চন্দ্র মেহতা, সুপ্রিম কোর্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি এ এইচ এম শাসসুদ্দিন চৌধুরী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল বাসেদ মজুমদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মেজবা কামাল এবং পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের ডা. আবু নাসের খান প্রমুখ।

dim

মানবদেহে ক্ষতিকর কৃত্রিম ডিম

dimআমাদের খাবার তালিকায় ডিম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এটি সন্দেহাতীতভাবে একটি পুষ্টিকর খাবার। ডাক্তারের কাছে গেছেন, ডাক্তার আপনার খাদ্য তালিকায় অবশ্যই ডিমকে রাখবেন। এছাড়া বাসায় রান্না করার কেউ নেই তো শেষ ভরসা হচ্ছে ডিম। হোটেলে খাবেন? সেখানেও মাছ মাংসের ভেজাল এড়িয়ে সবার পছন্দ সেই ডিমই। অর্থাৎ ডিম আমাদের খাদ্য তালিকায় অতি সহজ ভাবে গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য হয়ে ওঠেছে।

হঠাৎ ডিম ভাজতে গিয়ে দেখলেন ডিমটি পুরোপুরি শক্ত হয়ে আটকে গেল ঠিক প্লাস্টিক এর মত। আপনি যে ডিমটি ভেজে খাবেন বলে ভাবছেন সেটা কৃত্রিম ভাবে তৈরি করা। আশ্চর্যের ব্যাপার হলেও সত্য আমাদের দেশীয় বাজারে ব্যাপক ভাবে ঢুকে পড়েছে এই কৃত্রিম ডিম।

চীনে ২০০৪ সালে প্রথম কৃত্রিম ডিম তৈরি করে। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজিতে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিশ্লেষণধর্মী তথ্য প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম ডিমে কোনো খাদ্যগুণ বা প্রোটিন কনটিই নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। কিভাবে তৈরি হয় কৃত্রিম ডিম ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত প্রস্তুতপ্রনালীতে দেখা যায়, কুসুম ও সাদা অংশের সমন্বয়ে কৃত্রিম ডিম তৈরি করতে প্লাস্টিকের ছাঁচ ব্যবহৃত হয়। তবে তার আগে কুসুম তৈরি করা হয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে। সরাসরি ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ও কালারিং ডাই দিয়ে লাল বা গাঢ় হলুদ রংয়ের কুসুম তৈরি করা হয়। তার ওপর অতি পাতলা স্বচ্ছ রাসায়নিকের আবরণ তৈরি করা হয়। যাতে কুসুম ও সাদা অংশ এক না হয়ে যায়। সাদা অংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রিজিন জিলাটিন ও এলাম। প্লাস্টিকের ছাঁচ ডিমের সাদা অংশ তৈরি করে তার মাঝখানে ডিমের কুসুম তৈরি করা হয়। শেষ ধাপে ডিমের উপরের শক্ত খোলস তৈরিতে করা হয়। এর জন্য ব্যবহার করা হয় ওয়াক্স এর মিশনখানে ব্যবহার করা হয় প্যারাফিন, বেনজয়িক এসিড, বেকিং পাউডার, ক্যালসিয়াম কার্বাইড। সাদা অংশকে ওয়াক্সের দ্রবণে কিছুক্ষণ নাড়ানো চাড়ানো হয়। বাইরে থেকে স্বল্প তাপ প্রয়োগ করা হয়। এতেই তৈরি হয়ে যায় হুবহু ডিমের মতো দেখতে একটি বস্তু।

কিভাবে চিনবেন কৃত্রিম ডিম
কৃত্রিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। অল্প চাপে ভেঙ্গে যায়। এ ডিম সিদ্ধ করলে এর কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়। ভাঙ্গার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে। কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড় এবং এর খোলস মসৃণ হবে।

কৃত্রিম ডিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এ ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।

fakh

রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জিয়াই স্বাধীনতার ঘোষণা দেন

fakh

জিয়াউর রহমানই রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলে আবারো দাবী করলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ, মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের জাতীয় সম্মেলন ও কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে তিনি এ দাবী করেন।
তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান ইতিহাস ঘেঁটে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস তুলে ধরেছেন। কিন্তু এ যুক্তি খণ্ডন না করে আওয়ামী লীগের প্রবীণ রাজনীতিবিদরাও সংসদে যেভাবে কথা বলছেন, তা কোনো সভ্য দেশের মানুষের ভাষা নয়।’
তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সব সময় কিছু কৌশল অবলম্বন করে থাকে। তারা যখন জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখনই একটি ইস্যু তুলে দৃষ্টি ভিন্নদিকে প্রবাহিত করতে চায়। কিন্তু তাদের এ ধরনের কৌশল জনগণ ধরে ফেলেছে।’
বর্তনান সরকারের ক্ষমতায় থাকার নৈতিক অধিকার নেই দাবি করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব বলেন, ‘এ সরকার অবৈধ, সংসদ অবৈধ। তারা দখলদারের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে।’

imranii

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ডা. ইমরান এইচ সরকারের

imranii

বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না ডা. ইমরান এইচ সরকারের। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গড়ে ওঠা গণজাগরণ মঞ্চের কর্মসূচি সিদ্ধান্ত নিয়ে স্বেচ্ছাচার, আর্থিক অনিয়মসহ বেশ কয়েকটি অভিযোগে নায়ক থেকে খলনায়ক বনে গেছেন চিকিৎসকের চাকরি ছেড়ে দেয়া এই মুখপাত্র। এসব অভিযোগের কারণে তাকে মঞ্চ থেকে ‘অব্যাহতি’ দেয়া হয়েছে। তার অগণতান্ত্রিক আচরণের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে পাঁচ ছাত্র সংগঠন। এরপর মঞ্চের উদ্ভুদ পরিস্থিতি নিরসনে বিশেষ কমিটি এবং সর্বশেষ ইমরানের সম্পদের হিসাব এবং মঞ্চের আয়-ব্যায়ের হিসাব পেতে আরেকটি বিশেষ কমিটি। এসব নিয়ে অস্বস্তিতে রয়েছেন ইমরান এইচ সরকার।

এসবের সঙ্গে এবারর যোগ হয়েছে নতুন বিতর্ক। ইমরানের অগণতান্ত্রিক এবং স্বেচ্ছাচারী আচরণসহ বিভিন্ন বিষয়ে অভিযোগ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছে ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক- বোয়ান। এই সংগঠনটির আহ্বায়ক ইমরান এইচ সরকার। বোয়ান ২০১৩ সালের পহেলা ফেব্রুয়ারি আত্মপ্রকাশ করে আনুষ্ঠানিকভাবে। এরপর ৫ ফেব্রুয়ারি শাহবাগে মানববন্ধন-সমাবেশ করে এই সংগঠনটি। এর মাধ্যমেই প্রজন্ম চত্বর বা গণজাগরণ মঞ্চের সৃষ্টি। গণজাগরণ মঞ্চের মতো বোয়ানকেও নিজের স্বেচ্ছাচারী সংগঠন বানানোর অপচেষ্টার কারণে ইমরানের আহ্বায়ক থাকার নৈতিকতা নেই বলে দাবি করছে বোয়ান। যদিও এসব ব্যাপারে ইমরানের সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

শনিবার দুপুরে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলন করে সংগঠনটি। এতে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়াক- বোয়ানের সদস্য অনিমেষ রহমান। এসময় বোয়ানের বেশ কয়েকজন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে অনিমেষ রহমান বলেন, ‘শুধু গণজাগরণ মঞ্চ নয়, বোয়ান’র কর্মসূচি ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নিতেও অগণতান্ত্রিক আচরণ ও স্বেচ্ছাচার করছেন ইমরান। ১৪ মাসেরও বেশি সময় পার হলেও বোয়ানের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করছেন না তিনি। আহ্বায়ক হিসেবে তিনি সর্বময় ক্ষমতা প্রয়োগ করে যাচ্ছে অনৈতিকভাবে। পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠনে তাকে বারংবার চাপ দিলেও তিনি আজ-কাল বলে এড়িয়ে যাচ্ছেন।’

“৫ ফেব্রুয়ারি শাহবাগে আন্দোলন শুরু হলে মূল কর্মসূচি আহ্বানকারী সংগঠনের আহবায়ক হিসাবে এই আন্দোলনের মুখপাত্রও মনোনিত হন ইমরান এইচ সরকার। আন্দোলনে টানা অবস্থান চলাকালীন সার্বিক ব্যস্ততায় সংগঠনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা সম্ভব না হলেও ২০১৩ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে ‘সময়সীমাবদ্ধ’ কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে বারংবার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন, সাংগঠনিক গতিশীলতা আনয়ন, ব্লগার সম্পর্কিত বিভ্রান্তি নিরসন, ব্লগার গ্রেফতার, নির্যাতন, পারিপার্শ্বিক হুমকি ও বিশেষত ৫৭ ধারা বিষয়ে সংগঠনের ভূমিকা নিয়ে আহ্বায়ককে আলোচনার তাগিদ দেয়া হয়। কিন্তু ডা. ইমরান কোনো কর্ণপাত করেন নি।”

ইমরানের কর্মকান্ডের সমালোচনা করে অনিমেষ বলেন, আহ্বায়ক ইমরানের অব্যাহত উদাসীনতা ও ব্যক্তিকেন্দ্রিকতায় ঐতিহাসিক শাহবাগ আন্দোলনের গৌরবোজ্জ্বল সংগঠনটি ক্রমেই নিষ্ক্রিয়, অথর্ব ও বিস্মৃত হয়ে পড়তে থাকে। সর্বশেষ গণজাগরণ মঞ্চকে কেন্দ্র করে ঘটে যাওয়া হামলা-পাল্টাহামলা, বিভেদ-বিভক্তির মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনার কারণে মঞ্চের মুখপাত্র পদে আসীন বোয়ান আহ্বায়কের ব্যাপারে বিভিন্ন মহল থেকে তোলা অভিযোগের প্রেক্ষিতে এক বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয় সংগঠন ও সংগঠনের সদস্যরা। সামাজিকভাবে হেয় হতে হয় অনেককেই। কিন্তু ইমরানের এসব অভিযোগ তার ব্যক্তিগত, এজন্য বোয়ান কোনো দায়ভার নেবে না। তার অনিয়ম-দুর্নীতির ব্যাপারে বোয়ান কোনো কথা বলবে না। তার সম্পদের হিসাব নেয়া হলে বরং স্বাগত জানাবে বোয়ান। এসব অভিযোগ আর ‘উদাসীনতা’ এবং স্বেচ্ছাচারিতার জন্য সংগঠনের আহ্বায়ক পদটি তার ছেড়ে দেয়া উচিত।’

বর্তমানে গণজাগরণ মঞ্চ ‘কার্যকর’ নয় দাবি করে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ‘অহিংস আন্দোলনের প্রতীক গণজাগরণ মঞ্চে ঐক্য, অহিংসা ও জনসম্পৃক্ততার মত বিষয়গুলো আজ অনুপস্থিত বা এগুলোর চর্চা নেই, সেহেতু এই মুহূর্তে গণজাগরণ মঞ্চ সার্বিক অর্থে আর কার্যকর নেই। গণজাগরণ মঞ্চটি যে এই মুহূর্তে আর কার্যকর নেই তার আরো একটি প্রমাণ হচ্ছে, বিবদমান পক্ষগুলো গণমাধ্যমকে ডেকে পরস্পরের প্রতি অভিযোগের তীর ছুড়ছেন অথচ যে কোন কার্যকর প্ল্যাটফর্মে আভ্যন্তরীণ বৈঠকের মাধ্যমে বিরোধ নিস্পত্তি করে থাকে। আমরা আরো লক্ষ্য করছি যে, গণজাগরণ মঞ্চটি জবাবদিহিতার অনুপস্থিতিতে নানান হঠকারিতায়ও জড়িয়ে পড়ছে।’

লিখিত বক্তব্যে গণজাগরণ মঞ্চ অকার্যকর দাবির প্রেক্ষিতে বেশ কয়েটি উদাহরণ টেনে আনেন বোয়ান নেতো অনিমেষ। তিনি উল্লেখ করেন- পাকিস্তান দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচী যখন সফল, অর্থাৎ আমরা যখন সারা দুনিয়ার গণমাধ্যমের কাছে আমাদের দাবি, অবস্থান পরিস্কার করতে সক্ষম হয়েছি, তখন ২য় দিনের কর্মসূচীটি ছিলো নিতান্তই আকস্মিক ও অবিবেচনাপ্রসূত। এই কর্মসূচি ঠিক কোথায় ও কিভাবে গৃহীত হয়েছিল তা আজো রহস্যজনক রয়ে গেছে। এটা বোয়ান জানতো না। এমনকি মঞ্চের অন্যান্য ছাত্রসংগঠনগুলোও এ ব্যাপারে পরিস্কার কোনো বক্তব্য পায়নি।

রোড মার্চ কর্মসূচি অর্থ সহায়তা বিষয়ে বোয়ান দাবি করেছে, ‘সাম্প্রদায়িক হামলা প্রতিরোধে সাড়া জাগানো গণজাগরণ মঞ্চের রোড মার্চ কর্মসূচি পূর্ব মিটিংয়ে আর্থিক সাহায্যে নিজেদের সীমাবদ্ধতার আলোচনাপূর্বক কেবলমাত্র ক্ষতিগ্রস্থদের মানসিক সমর্থন, ঘটনা সম্পর্কে সঠিক ধারণা লাভ ও পথসভার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক হামলার বিরুদ্ধের জোরদার জনমত গঠনের মত বিষয়গুলোকেই মূল লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেখানে আর্থিক সাহায্যদানের ব্যাপারে কোনো আলোচনা আলোচনা হয়নি।

“কিন্তু ঘটনাস্থলে ডা. ইমরান এইচ সরকার কর্তৃক আর্থিক সাহায্যের যে প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল, সেই সিদ্ধান্ত কারা ও কোন প্রক্রিয়াতে নিয়েছিলেন সেটাও পরিস্কার নয়। তাছাড়া মালো পাড়াতে যে স্কুল করে দেবার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিলো তারও কোন অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছেনা। কিন্ত গত কিছুদিন ধরে যখন গণমাধ্যমগুলো সংবাদ করছে যে, গণজাগরণ মঞ্চের প্রতিশ্রুত সাহায্য আজো গিয়ে পৌঁছেনি তখন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী হিসাবে আমরা গতানুগতিক অপরাজনৈতিক সংস্কৃতি থেকে নিজেদেরকে আর পৃথক করতে পারিনা।”

বইমেলা প্রকাশিত বই সম্পর্কে বোয়ান দাবি করছে, ‘একুশে বইমেলা চলাকালীন পুস্তক প্রকাশের বিষয়টি সম্পর্কেও শেষমুহূর্ত পর্যন্ত বোয়ানকে জানানো হয়নি। বরং দেশবরেণ্য বিশিষ্টজনদের লেখা নিয়ে প্রকাশিত একটি সংকলনকে ব্যক্তিবিশেষের সম্পাদনা বলে জাহিরের হাস্যকর ও নিন্দনীয় প্রচেষ্টা বোয়ানকে বিব্রত করেছে। সার্বিকভাবে পুরো বিষয়টিতে বোয়ান এক প্রকার অন্ধকারে রাখা হয়েছে। এটি করেছে আহ্বায়ক ইমরান নিজেই।’

“রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্থদের তাৎক্ষণিক সাহায্যের পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদে পুনর্বাসনের বিষয়টি সবার ঐক্যমত্যে ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া হলেও পরবর্তীতে পুরো বিষয়টিকেই ঠেলে দেয়া হয় উপেক্ষার অন্ধকূপে।”

ইমরানকে ‘বিশ্বাসঘাতক’ আখ্যা দিয়ে ব্লগারদের সংগঠন বোয়ান জানিয়েছে, ১৪টি সংগঠন নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চের নীতিনির্ধারনী পর্যায় গঠিত, তাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত যাতে জনগণ ও গণমাধ্যমে উপস্থাপণের জন্য ইমরানকে মুখপাত্র নির্বাচিত করে সাময়িকভাবে। মুখপাত্র কোনো নেতা নয়, এটি একটি পদ- যারা কাজ মঞ্চের সিদ্ধান্ত ও কর্মসূচি প্রকাশ বা ঘোষণা করা। কিন্ত গণজাগরণ মঞ্চের ‘মুখপাত্র’ ইমরান এইচ সরকারকে বিভিন্ন মতলববাজ গোষ্ঠী আশ্রিত করে ফেলেছে। তারা তাদের বিভ্রান্ত ও গোপন এজান্ডার পক্ষে কথা বলিয়ে নিচ্ছে বিশ্ববাপী আলোড়ন সৃষ্টি করা এই মঞ্চ থেকে। মুখপাত্র এই ক্ষেত্রে জবাবদিহীতা শূন্যতার সুযোগটি নিচ্ছেন যা অনৈতিক এবং ঘোষিত ৬ দফা দাবির প্রতি বিশ্বাসঘাতকতাও।

ডা. ইমরান এইচ সরকার ব্লগারদের সংগঠন বোয়ানে যেসব ‘অনৈতিক বা অগণতান্ত্রিক’ কর্মকান্ড চালিয়েছেন তার কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হয় সংবাদ সম্মেলনে। এগুলো হলে-

# ব্লগার বা অনলাইন এক্টিভিস্টের সমস্যায় পদক্ষেপ নিতে বরাবরই নিস্পৃহতা দেখিয়েছে, এড়িয়ে গেছে নানান অজুহাতে।
# জবাবদিহিতার কোন ক্ষেত্র তৈরী হতে এবং কেউ তা চাইতে গেলে তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে, প্রতিবন্ধকতা তৈরি করা হয়েছে। যারাই জবাবদিহিতা দাবি করেছেন তাদেরকে পরবর্তি মিটিং এ আর ডাকা হয়নি। এতে করে অপমানে, অভিমানে অনেকেই ছিটকে গেছেন আন্দোলন থেকে।
# শাহবাগ আন্দোলনের উদ্যোক্তা সংগঠন হবার পরেও আন্দোলনের কোন পরিকল্পনা গ্রহণের ক্ষেত্রে আন্দোলনের প্রাথমিক পর্যায়ের পর সুদীর্ঘসময়ে আহবায়ক তার কিছু পছন্দের তল্পিবাহক ছাড়া বাকি সদস্যদের কোন পরামর্শ এড়িয়ে গেছেন।
# দীর্ঘ দিন ধরে কমিটি করার চেষ্টা করা হলেও ‘চাইলে ৫ মিনিটে কমিটি করা যায়’ মর্মে সিদ্ধান্ত এসেছে কিন্তু কমিটি হয়নি এর ফলে জবাবদিহিতা, সিদ্ধান্তগ্রহণ, সহযোদ্ধাদের পাশে দাড়ানোর মত গুরুত্বপুর্ণ কাজ গুলো সংগঠিত হতে পারেনি। সর্বশেষ তাকে বলা হয়েছিলো, যেহেতু মুখপাত্র খুবই ব্যাস্ত ফলে তিনি যেন বোয়ানের প্রাথমিক সদস্যদের একটা তালিকা উপস্থাপন করেন যারা কমিটি প্রনয়ন ও সাংগঠনিক কাজগুলি করবে। তিনি সেই তালিকাও দেব-দিচ্ছি করে এড়িয়ে যান।

এদিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্লগার এন্ড অনলাইন এক্টিভিস্ট নেটওয়াক-বোয়ানের পূর্নাঙ্গ কমিটি গঠন করা হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে। কমিটি গঠনের জন্য পাঁচ সদস্যের একটি সমন্বয় টিম গঠন করা হয়েছে। এছাড়া যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দাবিতে রাজপথে অহিংস আন্দোলন চালিয়ে যাবারও ঘোষণা দিয়েছে সংগঠনটি।

মডেল-প্রথমা

সুখ পরিমাপের বিস্ময়কর ৫ উপায়

মডেল-প্রথমা

মডেল-প্রথমা

সব অসম্ভবকে সম্ভব করতেই যেন উঠেপড়ে লেগেছে প্রযুক্তি। সম্প্রতি সুখ পরিমাপের পাঁচটি বিস্ময়কর উপায় বের করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা। আসুন জানা যাক কেমন সেই উপায়।

হাসিখুশি টুইট

প্রযুক্তিবান্ধব মানুষ মাত্রই এখন সার্বক্ষণিকভাবে সামাজিক যোগাযোগের কোনো না কোনো মাধ্যমের সঙ্গে জড়িত। তাদের মন ভালো থাকার বিষয়টি বোঝা যায় টুইটার অ্যাকাউন্ট দেখলে। একজন মানুষ খুশি হওয়ার মতো কিছু ঘটলেই তা নিয়ে টুইটারে লেখেন। আর তা থেকেই বোঝা যায় তারা ঠিক কতোখানি সুখী।

ফেসবুক

জনপ্রিয় মাধ্যম ফেসবুকে যে মানুষের মেজাজের ব্যাপারে তথ্য পাওয়া যাবে তা তো বলাই বাহুল্য। ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার পাশাপাশি নিজের অনুভুতিও প্রকাশ করা যায়। এখানে কারো অনুভূতি প্রকাশের মাধ্যমে বোঝা যায় তিনি আসলে হাশিখুশি বোধ করছেন কি না।

ইনস্টাগ্রাম হাসি

 

মডেল-প্রথমা ও জিম

মডেল-প্রথমা ও জিম

ইনস্টাগ্রামে মানুষ নিজের ব্যক্তিগত ছবি এবং পারিপার্শ্বিকের ছবি তুলে প্রকাশ করে থাকে। ইনস্টাগ্রামে হাসিমুখের ছবি তুলে তা প্রকাশ করার মধ্য দিয়ে মানুষের সুখের পরিমাণ বোঝা যায়। এদিক থেকে সুখী মানুষের সংখ্যা সবচাইতে বেশি ব্রাজিলে।

সুখের ইতিহাস

ভার্জিনিয়া ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা যায়, ৩০টি দেশের থেকে সুখের সংজ্ঞা বিশ্লেষণ করা হয়। বিভিন্ন ডিকশনারি এবং বই থেকেও এই সংজ্ঞা বের করে দেখা হয়। দেখা যায়, আগে সুখ বলতে ধনসম্পদ এবং সৌভাগ্য বোঝানো হতো। এখন অবশ্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে সুখকে একটি মানসিক অবস্থা হিসেবে দেখা হয়।

গড় জাতীয় সুখ

দেশের মানুষ কতটা সুখী, তা দিয়ে একটা দেশের গড় জাতীয় সুখ বের করে ফেলা যায়। ভুটান ১৯৭১ সাল থেকে দেশের নাগরিকদের সুখের ব্যাপারে লক্ষ্য রেখে আসছে। তারা নাগরিকদের মনস্তাত্বিক স্বাস্থ্য, শারীরিক স্বাস্থ্য, শিক্ষা, জীবনযাত্রার মান, সংস্কৃতি এসব ব্যাপারে তথ্য রাখে। ২০১০ সালের তথ্য অনুযায়ী, ৪১ শতাংশ ভুটানি মানুষ সুখী আর বাকি ৫৯ শতাংশ মানুষ এখনো পুরোপুরি সুখী হতে পারেনি।