প্রচ্ছদ / জাতীয় / বিস্তারিত

আরিফুল ইসলাম

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

আমরা কি বিজাতি, প্রশ্ন মন্ত্রীর

১৯ অক্টোবর, ২০১৭ ১৫:১৬:৫৪

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিভিন্ন দলের ভিন্ন ভিন্ন দাবি সুরাহার জন্য জাতীয় সংলাপ দরকার কিনা এ প্রশ্নের জবাবে বন ও পরিবেশ মন্ত্রী এবং জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আনোয়যা হোসেন মঞ্জু বলেছেন, ‘আমরাও তো জাতীয়, আমরা কি বিজাতি’।

বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁয়ের নির্বাচন ভবনে ইসির সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভা শেষে একথা বলেন তিনি।

এ বিষয়ে দলের মতামত জানতে চাইলে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, আমাদের দলের বক্তব্য সংবিধানের বাইরে যাবে না। আমাদের বক্তব্য বিভিন্ন গণতান্ত্রিক দেশের যেগুলো হয় তার বাইরে যাবে না। কে নির্বাচনে আসল আর কে আসল না সেই বিবেচনায় আমরা নির্বাচনের পক্ষে।

দেশে ভাল নির্বাচন হোক জেপি সেনা মোতায়েনের বিরোধী কিনা এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেখেন জাতীয় পার্টি সেনা নিয়োগের বিরোধীই বা হবে কেন, পক্ষেই বা হবে কেন? সেও বাংলাদেশের মানুষ আমরা বাংলাদেশের মানুষ। সেনা বলে কোনো ভিন্ন জাতি না গোষ্ঠী নেই।

সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আপনারা কি কি প্রস্তাব দিয়েছেন- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন- অনেক মত বিনিময় করেছি। নির্বাচন কিভাবে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করা যায়, কতগুলো রাজনৈতিক দল আছে তাদের সবাই সুষ্ঠু নির্বাচন চান। তবে কিভাবে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হবে সেই সম্পর্কে এদিক সেদিক আছে। আমরা আশা প্রকাশ করে এসেছি এই আলাপ আলোচনার মাধ্যমে এগুলো সুরাহা হবে।



সুনির্দিষ্ট কোনো প্রস্তাবনা কমিশনের দিয়েছেন কিনা সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমরা মুখে মুখে দিয়েছি। আমরা কোনো বার্গেডিং এজেন্ট নই এবং আমরা মালিকের কাছে আসিনি। আমরা মত বিনিময় করেছি। সেনা মোতায়েন, সহায়ক সরকার, সংসদ ভেঙ্গে দেয়া এমন কথাগুলো আলোচনা হয়েছে।

আমাদেরতো লিখতে হবে আপনার কি আলোচনা করেছেন? সাংবাদিকদের এ কথার পর মঞ্জু বলেন, বইলেন আমরা চা খেতে এসেছিলাম মাত্র।

এ পর্যায়ে সাংবাদিকরা বলেন, আমরা তো কিছু পেলাম না। নিউজ করতে পারব না। এরপর দলের মহাসচিব শেখ শহিদুল ইসলাম রেগে গিয়ে বলেন, আপনি কি থ্রেট করতেছেন নাকি। নিউজ কইরেন না।

এরপর সচিব বলেন, জাতীয় পার্টি জেপি একটি অর্থবহ অন্তর্ভুক্তিমূলক নির্বাচন চায় । সেই নির্বাচনে যাতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটে তাই চাই। তবে রাজনৈতিক দলের একটি বা দুটি অংশ না নিলে এই নির্বাচন অর্থবহ হবে না তা নয়।

তিনি বলেন, আমরা বলেছি প্রয়োজন বলে সেনা মোতায়েন করতে পারে ইসি। এই সিদ্ধান্ত ইসি গ্রহণ করবে। সহায়ক সরকার বা অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে যে কথাবার্তা হয় সেই বিষয়গুলো নিয়ে ইসির কোনো কিছু করার নেই। তাই এগুলো নিয়ে ইসিতে কথা বলনি।

প্রধান নির্বাচন কমিশনা কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠত বৈঠকে জেপির পক্ষ থেকে ১৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি অংশ নেয়।আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে অংশীজনদের সঙ্গে সংলাপ শুরু করেছে ইসি। এরই ধারবাহিকতায় এই বৈঠক হয়। এ পর্যন্ত ৩৯ টি দলের সঙ্গে বৈঠক করল ইসি।


বিডি২৪লাইভ/এএইচআর

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: