শাহাদাত হোসেন রাকিব

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

ফুল ফুটেছে সচিবালয়ে

০৯ নভেম্বর, ২০১৭ ১৭:২৭:৪৩

চলছে শীতের আমেজ। প্রকৃতি তার অপরুপ সাজের প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রশাসন ও সরকারি কর্মকান্ডের নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র সচিবালয়ে আছে বিভিন্ন রকমের ফুলের গাছ। সে গাছে ফুটছে ফুল। এ যেন অপরুপ সৌন্দর্যের বাহার ছড়াচ্ছে।

বুধবার (৮ নভেম্বর) সরেজমিনে দেখা যায়, সচিবালয়ের ভেতরে হরেক রকমের ফুল ফুটেছে। এ ফুল প্রাণবন্ত সচিবালয়কে যেন আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে। অনেককে ফুলের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে দেখা যায়।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তার হোসেন বিডি২৪লাইভকে বলেন, সচিবালয়ে অনেক ফুলগাছ আছে। শীতকাল উপলক্ষ্যে অনেক ফুলগাছে ফুল ফুটছে। ফুলগুলো সচিবালয়ের সৌন্দর্য আরও বৃদ্ধি করেছে।

তিনি জানান, গত দুই বছর আগে এখানে একটি কনকচাঁপা গাছ লাগানো হয়েছে। তবে গাছটিতে এখনও ফুল হয়নি।

উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা লাভের পূর্ব পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক সরকার ছিল কার্যত পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারেরই অবিকল প্রতিরূপ। নির্বাচিত সরকার থাকাকালে প্রাদেশিক মন্ত্রীদের অধীনে কয়েকটি বিভাগ সমন্বয়ে গঠিত এর একটি সচিবালয় থাকত। স্বাধীনতা লাভের পর বিদ্যমান প্রাদেশিক প্রশাসনিক কাঠামোটি জাতীয় সরকারের প্রশাসনে রূপান্তরিত হয়।

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল থেকে কার্যকর স্বাধীনতার ঘোষণাবলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং এই সরকারের সদরদপ্তর ছিল মুজিবনগর। অস্থায়ী সরকারের অধীনে কতগুলি মন্ত্রণালয় ও বিভাগসহ একটি সচিবালয় ছিল। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের পর স্বাধীন বাংলাদেশে ওই সচিবালয়টি ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়।

১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে দেশে ফিরে আসার পরপরই ১৯৭২ সালের সাময়িক সংবিধানের ভিত্তিতে অস্থায়ী সরকারের বিলুপ্তি ঘটে এবং তাতে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার গঠনের ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়। ১৯৭২ সালের জানুয়ারির শেষ নাগাদ সম্প্রসারিত একটি মন্ত্রিপরিষদ গঠিত হলে ১৯টি মন্ত্রণালয় সমন্বয়ে সচিবালয়টিও পুনর্গঠিত হয়। ১৯৯৯ সালে মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ৩৮ ও ৪৬। আর বর্তমানে মন্ত্রণালয় এবং বিভাগের সংখ্যা বৃদ্ধি করার সাথে সাথে সচিবালয়ের সৌন্দর্যও বর্ধন করা হয়েছে।

বিডি২৪লাইভ/এসএইচআর/এমআর

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: