প্রচ্ছদ / বিনোদন / বিস্তারিত

আসিফ আলম

বিনোদন প্রতিবেদক

বিজয়ের রঙে সেজেছে এফডিসি

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ১৫:০৬:৫৪

চলচ্চিত্রের আতুঘর বলা হয় বিএফডিসিকে। যেখানে সারাক্ষন মানুষদের ব্যস্ত থাকতে হয় লাইট, ক্যামেরা আর শুটিং নিয়ে। কিন্তু বিজয়ের মাসে অর্থাৎ ১৬ ডিসেম্বর এই চলচ্চিত্র পাড়ার চিত্রটা ছিলো একটু ভিন্ন। পুরো এফডিসি জুড়ে ছিলো লাল-সবুজ রঙ্গের ছড়াছড়ি।

এফডিসির প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকতেই চোখে পড়বে লাল-সবুজ বিজয়ের রঙ্গে সাজানো হয়েছে গেইট। প্রধান ফটক দিয়ে ঢুকতেই দুপাশে লাল-সবুজ রঙ্গের ছড়াছড়ি। এরপর প্রশাসনিক ভবন থেকে শুরু করে পরিচালক সমিতি, শিল্পী সমিতির আশে পাশের বিভিন্ন জায়গাও আজ মেতেছে বিজয়ের আনন্দে।

৭৬৩২৪ একর জমির উপর অবস্থিত এই এফডিসি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের হাত ধরে ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এফডিসিতে মোট ভবন সংখ্যা ৩৮টি আর মেকাপ রুম সংখ্যা ১৪টি।

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র বলতে অবিভক্ত বঙ্গ (১৯৪৭ পর্যন্ত) থেকে শুরু করে পূর্ব পাকিস্তান এবং ১৯৭১ সালের পর স্বাধীন বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে বোঝায়।

পৃথিবীর অনেক দেশের মত বাংলাদেশেও (তদানীন্তন পূর্ব বঙ্গ) ১৮৯০-এর দশকে চলচ্চিত্র প্রদর্শনী শুরু হয়েছিল। এই সূত্র ধরে এই অঞ্চলে ১৯০০-এর দশকে নির্বাক এবং ১৯৫০-এর দশকে সবাক চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রদর্শন শুরু হয়।

চলচ্চিত্র মঞ্চের উৎপত্তি ১৯১০-এর দশকে হলেও এখানে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নিয়ে আগ্রহের সৃষ্টি হয়েছে ১৯৫০-এর দশকেই। এখানকার সাংস্কৃতিক পরিবেশের সাথে খাপ খেতে চলচ্চিত্রের প্রায় ৫০ বছরের মত সময় লেগেছে।

১৯৯০-এর দশকে বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ৮০টির মত পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মুক্তি পেতো। আর ২০০৪ সালের হিসাব মতে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে বছরে গড়ে প্রায় ১০০টির মত চলচ্চিত্র মুক্তি পায়। এ হিসেবে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পকে বেশ বড়ই বলা যায়, যদিও এশিয়ার চলচ্চিত্র শিল্পে তা অনেকটাই উপেক্ষিত।

বিডি২৪লাইভ/আরআই

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: