সম্পাদনা: আরাফাত হোসেন রবিন

ডেস্ক এডিটর

মার্কিন রাষ্ট্রদূতের পদত্যাগ

১৪ জানুয়ারি, ২০১৮ ০৯:০৫:০২

ছবি: জন ফিলি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসনের সঙ্গে কাজ করতে না পেরে পদত্যাগ করেছেন পানামায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জন ফিলি। তিনি বলেছেন, ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে তার পক্ষে আর কাজ করা সম্ভব নয়।

সাবেক হেলিকপ্টার-পাইলট ফিলি বিষয়টি এরইমধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরকে জানিয়েছেন। গত ২৭ ডিসেম্বর অফিস থেকে বিদায় নিয়েছেন বলে জানান তিনি। ফিলি হচ্ছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের শীর্ষ পর্যায়ের একজন কর্মকর্তা এবং লাতিন আমেরিকা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ।

পদত্যাগপত্রে ফিলি বলেছেন, "পররাষ্ট্র বিভাগের একজন জুনিয়র অফিসার হিসেবে আমি বিশ্বস্ততার সঙ্গে প্রেসিডেন্ট ও তার প্রশাসনের হয়ে কাজ করব বলে শপথ নিয়েছিলাম এমনকি যখন আমি অনেক বিষয়ে একমত হতে পারব না তখনো কাজ করতে বাধ্য। কিন্তু আমার ইনস্ট্রাক্টররা আমাকে পরিষ্কার করে বলেছেন যে, আমি যদি তা না পারি তাহলে আমার পদত্যাগ করা উচিত। এখন সেই সময় এসে গেছে।"

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের একজন মুখপাত্র ফিলির পদত্যাগের কথা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, আগামী ৯ মার্চ ফিলি অবসরে যাবেন।

মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্টিভ গোল্ডস্টেইন দাবি করেছেন, রাষ্ট্রদূত ফিলি ব্যক্তিগত কারণে পদত্যাগ করেছেন এবং ট্রাম্পের অশোভন বক্তব্যের সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই। প্রত্যেক ব্যক্তির নির্দিষ্ট গণ্ডি থাকে এবং তা পার হওয়া ঠিক নয়। যদি রাষ্ট্রদূত ফিলি মনে করেন তিনি কাজ করতে পারছেন না তাহলে তিনি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং আমরা তার এ সিদ্ধান্তকে সম্মান করব।

ফিলি দীর্ঘদিন ধরে লাতিন আমেরিকা নিয়ে কাজ করেছেন। কিন্তু ট্রাম্পের বহু নীতি মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার প্রতি শত্রুতামূলক যা ফিলির পদত্যাগের কারণ হতে পারে। লাতিন আমেরিকার দেশগুলো থেকে অভিবাসী গ্রহণের বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। এরমধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- মেক্সিকো, হন্ডুরাস, নিকারাগুয়া, হাইতি এবং এল সালভেদর থেকে আসা লাখ লাখ অভিবাসীকে ট্রাম্প প্রশাসন বের করে দেয়ার পদক্ষেপ নিয়েছে। পার্সটুডে


বিডি২৪লাইভ/এএইচআর

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: