শাহাদাত হোসেন রাকিব

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট

৩২ ধারা বাতিল চেয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন

০৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২২:৩৫:০৪

রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ গণমাধ্যম, যা গণমানুষের কথা বলে। কিন্তু সম্প্রতি মন্ত্রিসভায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের খসড়ার যে চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়েছে, তাতে আইনটির ৩২ ধারা গণমাধ্যমকর্মী হিসেবে সাংবাদিকতার পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং গণমানুষের কথা প্রকাশে সরাসরি বাধা সৃষ্টি করবে। একথা উল্লেখ করে তথ্য মন্ত্রণালয়ে আইনটি বাতিলের আবেদন করেছেন স্যাটেলাইট চ্যানেল নিউজ টোয়েন্টিফোরের সংবাদকর্মী মো. জুবায়ের আল মাহমুদ।

বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর দফতরে এ আবেদন করেন তিনি।

আবেদনকারী এ সংবাদকর্মী বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ৩২ ধারা অপরাধীকে অপরাধ করতে উৎসাহ দেবে বলে আমি মনে করি। কারণ, আইনটিতে বলা হয়েছে ‘কোন সরকারি, আধাসরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে ঢুকে বিনা অনুমতিতে কেউ কোন কিছু রেকর্ড করলে বা তাতে সহযোগিতা করলে- তা গুপ্তচরবৃত্তি অপরাধ হবে। এর জন্য ১৪ বছরের জেল এবং ২০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এর ফলে ওই ধারায় উল্লেখিত প্রতিষ্ঠানসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অপরাধের সাথে যুক্ত হলেও তাদের বিরুদ্ধে তথ্যভিত্তিক কোনো সংবাদ প্রকাশ করা যাবে না। কারণ, অন্যায়কারী নিশ্চয় নিজের অপরাধের তথ্য গণমাধ্যমকর্মীকে স্বেচ্ছায় দেবেন না। আবার তার অন্যায়ের তথ্য গোপনে যদি সংগ্রহ করা হয়, তাহলে এটি ওই আইনের ৩২ ধারা অনুযায়ী গুপ্তচরবৃত্তির অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হবে। যা স্বাধীন সাংবাদিকতা তো বটেই, তথ্যনির্ভর সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রেও বাধা সৃষ্টি করবে। এর ফলে অপরাধীরা অন্যায় কাজে উৎসাহ পাবে।

৩২ ধারায় সাংবাদিকতার অন্তরায় কিছু থাকলে তা মন্ত্রণালয়কে জানাবেন- মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর এমন বক্তব্যের পর আবেদনপত্রটি দিয়েছেন বলেও জানান মো. জুবায়ের আল মাহমুদ।

বিডি২৪লাইভ/এমআই

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: