মোঃ সাইফুল ইসলাম

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট

‘তারেক রহমান আওয়ামী লীগের অকৃত্রিম বন্ধু’

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ১৬:৪৩:০৭

জয়পুরহাট ২-আসনের সংসদ সদস্য ও আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন। সমসাময়িক রাজনীতির নানাবিধ বিষয় নিয়ে বিডি২৪লাইভ ডটকমের সঙ্গে খালেদা জিয়ার সাজা, ছাত্রলীগের সমস্যা ও সমাধান, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের সফলতা ও পরিকল্পনা নিয়েও কথা বলেছেন। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বিডি২৪লাইভ ডটকম’র স্টাফ করেসপন্ডেন্ট সাইফুল ইসলাম।

বিডি২৪লাইভ: বর্তমান ছাত্রলীগ ও পূর্বের ছাত্রলীগের মধ্যে পার্থক্য আছে কি? থাকলে সেটাকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: সময়ের তালে তালে সবকিছুই পরিবর্তনশীল। ছাত্রলীগ বা ছাত্রসমাজ দেশ, সমাজ ও জনগণের বাইরে কিছু নয়। দেশ এগিয়েছে, সামাজিক মূল্যবোধ পরিবর্তিত হয়েছে। জনগণের জীবন মানের উন্নয়ন হয়েছে। সুতরাং এই পরিবর্তনের সাথে ছাত্রসমাজের মন-মানসিকতা, প্রত্যাশা-প্রাপ্তি ও আকাঙ্খাও পরিবর্তিত হয়েছে। এই পরিবর্তনের প্রভাব ছাত্রলীগেও কিছুটা পড়বে সেটাই স্বাভাবিক।

আমার বা আমাদের পূর্বসূরীরা অনেকেই বিশ্বাস করতেন না যে, আওয়ামী লীগ এতো দ্রুত ক্ষমতায় আসবে। একটি দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে আমরা ছাত্রলীগের পতাকাতলে সমবেত হয়েছি। ’৯৬ পরবর্তী আওয়ামী লীগ ৩ বার রাষ্ট্র পরিচালনা করছে। সুতরাং চিন্তা চেতনার কিছু পরিবর্তন থাকবেই। তবে পূর্বের ও আজকের লক্ষ্য এক ও অভিন্ন। নেতিবাচক কিছু বিষয় পূর্বেও ছিল, আজও আছে। আমি আশাবাদী, সময়ের পরিক্রমায় ছাত্রলীগের সামান্য নেতিবাচক দিকগুলো ধবংস হয়ে যাবে। সুন্দর সু-প্রতিষ্ঠিত হবে। একটি কথা অনস্বীকার্য যে, ছাত্রলীগ দেশ প্রেমিক নাগরিক গড়ার সবচেয়ে বড় প্রতিষ্ঠান।

বিডি২৪লাইভ: দুর্নীতির মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা হয়েছে এতে আওয়ামী লীগের লাভ-ক্ষতি কি?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিচারের রায় নিয়ে আওয়ামী লীগের লাভ-ক্ষতির কোন হিসেব আমি করি না। এটি কোন রাজনৈতিক মামলা নয়। এটি একটি রাষ্ট্র অভিভাবকের অনৈতিক কর্মফলের রায়। আমি রাজনীতিবিদ হিসেবে এই রায়টি দুই ভাবে পর্যালোচনা করি।

এক. রাজনীতিবিদ হিসেবে এটি সকল দলের সকল রাজনীতিবিদদের জন্য কলঙ্কজনক। জনগণ বিশ্বাস স্থাপন করে রাজনীতিবিদের ভোট দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব প্রদান করেন। জনগণের সেই বিশ্বাসের জায়গাটিতে আমরা প্রায়ই কুঠারাঘাত করি। বেগম জিয়া প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী বিভাগের সর্বোচ্চ সম্মানিত পদে আসীন হয়ে এতিমের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা নিজের সন্তানদের প্রদান করে চরম বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। রাজনীতিবিদ হিসেবে সকলের জন্য বিষয়টি লজ্জার।

দুই. এই রায়ে দেশ লাভবান হয়েছে। এ রায় সকল রাজনীতিবিদের জন্য একটি বড় বার্তা। জনগণের কৃপায় ক্ষমতায় বসে জনগণের টাকা নিজের টাকা মনে করলে এক দিন না একদিন বিচারের মুখোমুখি হতেই হবে। এটি দেশের জন্য মঙ্গলজনক।

বিডি২৪লাইভ: বাংলাদেশে অনেক এমপি, মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা ও সাধারণ মানুষের নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি মামলা আছে। তাদের সাজা হয় না কিন্তু সাবেক প্রধানমন্ত্রী নামে প্রায় ৩ কোটি টাকার জন্য সাজা হয়েছে। এ বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: সকল দুর্নীতিই দুর্নীতি। টাকার অঙ্ক বড় কথা নয়। সঠিক প্রমানের অভাবে অথবা আদালতের বিভিন্ন মারপ্যাচে অনেকে হয়তো দুর্নীতি করেও এখনো সাজা প্রাপ্ত হয়নি। কিন্তু দেশের অন্যতম রাজনৈতিক ব্যক্তির সাজা হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি নতুন দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে। সময়ের পরিক্রমায় সকল দুর্নীতির বিচার হবে, হতেই হবে।

বিডি২৪লাইভ: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় ১০ বছর কারাদণ্ড দিয়েছে। এই মামলার রায়ের প্রেক্ষিতে তাকে সাজার আওতায় আনতে সরকার কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কিনা?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: জনাব তারেক রহমানকে নিয়ে আমাদের বিশেষ কোন চিন্তা নেই। আইন সবার জন্য সমান এবং আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। তাকে নিয়ে আপনারা চিন্তাগ্রস্থ, আওয়ামী লীগের সেই সময় নেই। তাছাড়া জনাব তারেক রহমান আওয়ামী লীগের অকৃত্রিম বন্ধু, তার হাতে যতদিন বিএনপি থাকবে ততদিন আমরা চিন্তামুক্ত।

বিডি২৪লাইভ: বিএনপি সব সময় অভিযোগ করে আসছে, সরকার তাদের নেতাকর্মীদের উপর দমন-পীড়ন চালায়। বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতি মামলার রায়কে তারা সরকারের চাল মনে করছেন। তাদের এই মনে করাটাকে আপনি কিভাবে দেখছেন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: বিএনপির রাজনৈতিক চরিত্র আন্দোলনমুখী নয়। এর জন্ম, গড়ে ওঠা, বিকাশ আন্দোলনমুখীতা থেকে হয়নি। এরশাদের আমলে বিএনপির অঙ্গ-সংগঠন ছাত্রদল আন্দোলনে ছিল। ছাত্রদলের সেই প্রোডাকশন এখন অতল গহ্বরে হারিয়ে গেছে। ফলে আন্দোলন রচনা করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য তারা দমন নিপীড়নের একই রেকর্ড সবসময়ই বাজিয়ে আসছেন। তাদের ক্ষমতাকালের দমন নিপীড়নের রেকর্ড কেউ ভাঙতে পারবে না।

দেখুন, বেগম জিয়াকে জেলে নেওয়ার উটকো ঝামেলা সরকার কখনো নিতে চায় নি। সরকার উন্নয়ন ও মানব কল্যাণে নিয়োজিত আছে। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলাটি ১/১১ সরকারের সময় দুর্নীতি দমন কমিশন দায়ের করেছে। তখন দুদকের চেয়ারম্যান ছিলেন বেগম জিয়ার পছন্দের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল হাসান মাসুদ চৌধুরী। এই সরকারের আমলে স্বাধীন বিচার বিভাগ মামলাটির শুনানি করেছে এবং রায় দিয়েছে। এখানে সরকারের নেতিবাচক ভূমিকা কোথায়? বরং তিনি আদালতে হাজির না হওয়ায় জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পরও সরকার তার মতো গুরুত্বপূর্ণ সিনিয়র সিটিজেনকে গ্রেফতার না করে আদালতে হাজির হয়ে পুনরায় জামিন নেওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে।

বিডি২৪লাইভ: বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জেলে গেলেও তাদের কোনো বড় ধরণের কমসূচি নেই। হরতাল ও অবরোধ করেনি। তাদের এই চিন্তাকে আপনি কি ভাবে দেখছেন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: দেখুন বেগম জিয়া রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার হয়নি। কোন মামলা দায়েরের পরও গ্রেফতার হননি। যদি রাজনৈতিক কারণে গ্রেফতার হতেন বা মামলা চলমান অবস্থায় গ্রেফতার হতেন তাহলে তারা অবশ্যই আন্দোলনের কর্মসূচী দিতেন। কিন্তু একটি আদালতে একটি মামলার বিচার শেষে তার সাজা হয়েছে। সাজাপ্রাপ্ত আসামী হিসেবে তিনি কারাগারে। সাজার বিষয়ে কখনও আন্দোলন হয়- এটি আমার জানা নেই। নিম্ন আদালতে সাজা হলে উচ্চ আদালতে আপিল করা ছাড়া ভিন্ন কোন পথ নেই। সুতরাং বিএনপিকে সেই পথেই যেতে হবে। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক সমাজে কি আন্দোলন হয়?

বিডি২৪লাইভ: ২০১৯ সালে একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা কী?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: আওয়ামী লীগ দেশ পরিচালনা করছে। বিশ্বসেরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও জনকল্যাণ সাধিত হয়েছে। জনগণের আস্থা শেখ হাসিনার উপর। জনগণের এই আস্থা ও বিশ্বাসকে সম্পদ হিসেবে পরিণত করে আওয়ামী লীগ জনতার মুখোমুখী হবে। জনগণই নির্ধারণ করবেন তারা আমাদের সংসদের কোন দিকে বসার সুযোগ করে দেবেন।

বিডি২৪লাইভ: আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কি আওয়ামী লীগ ১৪ দল নিয়েই করবেন, না ১৪ দলে প্লাস বা মাইনাস হতে পারে?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: আমরা বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যে বিশ্বাস করি। সময় বলে দেবে আর কোন দল আমাদের সঙ্গে জোটবদ্ধ নির্বাচন করবে। এটি বলার সময় এখনও আসেনি।

বিডি২৪লাইভ: একাদশ সংসদ নির্বাচন নিয়ে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের ইশতেহারে কি থাকতে পারে বলে আপনি মনে করেন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: বিগত জাতীয় সম্মেলনে গৃহীত ঘোষণাপত্রের আলোকে আগামী নির্বাচনের ইশতেহার রচনার কাজ চলছে। এটি এখনই ফাঁস করা সম্ভব নয়।

বিডি২৪লাইভ: নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামী লীগের মনোনীত এমপি বনাম আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের দ্বন্দ্ব বাড়ছে। এতে নির্বাচনে কী রকম প্রভাব পড়তে পারে বলে আপনি মনে করেন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: দ্বন্দ্ব থাকবেই। দ্বন্দ্ব, সংঘাত নিয়েই আমাদের জীবন। এটি বাঙ্গালীর চরিত্র। তবে নির্বাচনের পূর্বে ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগ নির্বাচন যুদ্ধে অবতীর্ণ হবে।

বিডি২৪লাইভ: অনেক সময় বিএনপির নেতারা বলেন, বিএনপি ব্যাপক সমর্থন নিয়ে নির্বাচনের পথে এগুচ্ছে, আওয়ামী লীগ এতে হতাশ। বিএনপি নেতাদের এমন বক্তব্যে আপনি কী বলবেন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: আওয়ামী লীগ কখনই হতাশ হওয়ার দল নয়। আওয়ামী লীগ একটি গতিশীল, সদা প্রস্তুত রাজনৈতিক দল।

বিডি২৪লাইভ: বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে আগামীতে পৃথক কর্মসূচি দেবে ২০ দল। অরাজকতা সৃষ্টি করলে আওয়ামী লীগ তা প্রতিহত করবে কী না? করলে, কী ভাবে করবে?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: আন্দোলন মোকাবেলা করবে সরকার। সরকারের সেই সামর্থ ও সক্ষমতা আছে। আওয়ামী লীগ আন্দোলন দমন করতে গেলে সংঘাত হবে। দায়িত্বশীল দল হিসেবে আওয়ামী লীগ কোন সংঘাত কামনা করে না।

বিডি২৪লাইভ: রোহিঙ্গা ইস্যুতে কূটনৈতিক চেষ্টা ব্যর্থ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। এটাকে আপনি কী ভাবে দেখছেন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: রোহিঙ্গা ইস্যুতে সরকারের ব্যর্থতা দেখে ধর্মহীন অতিজ্ঞানী বিশ্লেষকরা। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর খাস উম্মত শেখ হাসিনা এতগুলো আর্ত মুসলমানকে অনিশ্চয়তার মাঝে ঠেলে দেবেন না। মুসলিম নারীর সম্ভ্রম লুণ্ঠন হতে দিতে পারেন না। মুসলমান শিশু, বৃদ্ধ-বৃদ্ধাকে পাশবিক নির্যাতনের মুখে ঠেলে দিতে পারেন না। তিনি মানবিক, ধর্মীয় ও রাষ্ট্রীয় দিক বিবেচনায় রেখে অভীষ্ট লক্ষ্যে এগিয়ে চলছেন। সময় লাগবে কিন্তু স্থায়ী সমাধান হবে, ভয় নেই।

বিডি২৪লাইভ: আপনার রাজনীতির যাত্রা কত সাল থেকে এবং কিভাবে শুরু করেছিলেন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: আমার বাবা সরকারি চাকুরিজীবী হলেও তিনি রাজনৈতিক সচেতন ব্যক্তি ছিলেন। তার মুখ থেকেই দেশ ও বঙ্গবন্ধুর কথা শুনেছি। অষ্টম শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় রংপুর কালেক্টরেট ময়দানে বঙ্গবন্ধুর কন্যার কান্নায় বিজড়িত বক্তব্য শুনে আমি রাজনীতির মিছিলে যোগ দেই। তবে ১৯৮৪ সালে এসএসসি পরীক্ষা দেবার পর থেকে নওগাঁতে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হই। তখন থেকে আজ পর্যন্ত রাজনীতিতে আছি।

ব্যক্তিগতভাবে আমি ছাত্রলীগের জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক ও সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছি। ২০০২ সালে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপ-কমিটির সহ-সম্পাদক এবং ২০০৯ সাল থেকে অদ্যাবধি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। ২০০৭ সালের ২২ শে জানুয়ারি স্থগিত নির্বাচন এবং ২০০৮ ও ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন লাভ করেছি। আমি আমার রাজনৈতিক জীবনের সফলতা-ব্যর্থতা মূল্যায়ন করতে পারব না। আমার নির্বাচনী এলাকার জনগণ এবং আমার সাংগঠনিক কর্ম এলাকার নেতাকর্মীরা সফলতা-ব্যর্থতা মূল্যায়ন করতে পারবেন।

বিডি২৪লাইভ: আপনার নির্বাচনী এলাকায় (জয়পুরহাট-২) আসনের রাজনীতির বর্তমান অবস্থা নিয়ে কিছু বলুন?
আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন: জয়পুরহাট-২ আসন একটি অবহেলিত ও বঞ্চিত জনপদের নাম। দীর্ঘ অবহেলা ও বঞ্চনা এই এলাকাটিকে দেশের অপরাপর অঞ্চল থেকে অনেক পিছিয়ে রেখেছে। দিন বদল হয়েছে। বিশ্ব নন্দিতা প্রধানমন্ত্রীর সমগ্র দেশের জন্য সমতা ভিত্তিক উন্নয়ন নীতির কারণে এই আসনে ব্যাপক উন্নয়ন চলছে। গ্রামে ৯৯.৯৯ শতাংশ বিদ্যুত সংযোগ হয়েছে। আমরা এখন মাথা উঁচু করে দাঁড়াচ্ছি। এই মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর অভিযাত্রাটি আওয়ামী লীগের একার নয়, সকল জনগণের। জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ ও সমর্থনের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলছে কালাই-ক্ষেতলাল-আক্কেলপুর। এগিয়ে চলছে জয়পুরহাট। এ অগ্রযাত্রা থামবে না।

বিডি২৪লাইভ/এসআই/এমআর

বিডি টুয়েন্টিফোর লাইভ ডট কম’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পাঠকের মতামত: