
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) স্যার এ এফ রহমান হলের ক্যান্টিনে ওই হলের ছাত্রলীগ নেতাদের বিরুদ্ধে ১৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা বাকি খাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার (১৬ আগস্ট) এ সংক্রান্ত একটি তালিকা হল প্রশাসনকে দেন ক্যান্টিন মালিক বাবুল মিয়া।
তালিকায় দেখা যায়, ৪৮ জনের একটি তালিকা করেছেন বাবুল মিয়া। এতে হল ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজ মাহমুদ বাকি করেছেন ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা, সাধারণ সম্পাদক মুনেম শাহরিয়ার মুন বাকি করেছেন ২ লাখ ১৬ হাজার। তালিকায় লাখ টাকার ওপরে রয়েছে চারজন, পঞ্চাশ হাজারের ওপরে রয়েছে ছয়জন। তালিকায় এক হাজারের নিচে কেউ বাকি করেননি। বাবুল জানান, আমি একটা গড় হিসাব করেছি। হল সভাপতি রিয়াজ ও সাধারণ সম্পাদক মুনেম প্রতিদিন দশ থেকে পনেরটা করে খাবার নিতো। আর তালিকায় থাকা বেশিরভাগই ছাত্রলীগের বিভিন্ন সময়ের পদধারী নেতা।
অভিযোগের বিষয়ে মন্তব্য জানতে রিয়াজ ও মুনসহ বাকি অনেকের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।
ক্যান্টিন মালিক বাবুল জানান, দীর্ঘ চার বছর ধরে অর্থাৎ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সনজিত ও সাদ্দাম কমিটি এবং শয়ন ও সৈকত কমিটির হল ছাত্রলীগের পদধারী নেতাদের বাকির তালিকা করা হয়। এতে মোট ১৭ লাখ ৯৩ হাজার টাকা বাকি পড়েছে।
হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. রফিক শাহরিয়ার বলেন, হল ক্যান্টিনের মালিক বাবুলকে আমি একাধিকবার জিজ্ঞেস করেছি ক্যান্টিনের কেউ বাকি খায় না কিনা, সে অস্বীকার করেছে। এর আগে,আমার কাছে ক্যান্টিনের খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। গত মাসেও আমি সহ বেশ কয়েকজন হাউজ টিউটর ক্যান্টিন পরিদর্শনে গিয়েছিলাম তখনও তাকে জিজ্ঞেস করি কেউ কেউ বাকি খায় কি না। সে বরাবর অস্বীকার করেছে। এখন সে বলছে ১৮ লক্ষ টাকা বাকি সে দিয়েছে। সে যদি লিস্টটা তখন আমাকে দিতো, আমি তৎক্ষণাৎ দৃশ্যমান একটা পদক্ষেপ নিতাম।
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
ক্যাম্পাস এর সর্বশেষ খবর