
খাগড়াছড়িতে বন্যায় দুর্গত ৬ হাজার ৩শত পরিবারের মাঝে একযোগে ৬৩ ম্যাট্রিক টন চাল বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৬ আগস্ট) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খাগড়াছড়ি সদর, দীঘিনালা, পানছড়িসহ অন্যান্য বন্যা কবলিত উপজেলা গুলোতে পরিবার প্রতি ১০ কেজি করে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রতিটি উপজেলায় স্ব শরীরে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করেন জেলা প্রশাসক সহ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকরা।
রামগড় ও মাটিরাঙ্গা উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম সার্বিক তদারকি করেন খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান। এছাড়াও খাগড়াছড়ি পৌরসভা ও সদর উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ তদারকি করেন স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক নাজমুন আরা সুলতানা, মানিকছড়ি ও গুইমারা উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ তদারকি করেন খাগড়াছড়ির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. নজরুল ইসলাম, পানছড়িতে ত্রাণ বিতরণ তদারকি করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ফেরদৌসী বেগম, দীঘিনালা উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ তদারকি করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) রুমানা আক্তার এবং মহালছড়ি ও লক্ষ্মীছড়ি উপজেলায় ত্রাণ বিতরণ তদারকি করেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রোজলীন শহিদ চৌধুরী। এসময় স্ব স্ব উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার ভূমি সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে খাগড়াছড়ি জেলায় বন্যা দুর্গতদের মাঝে ২৩৩ ম্যাট্রিক টন চাল, ১০ লাখ ৭৪ হাজার নগদ টাকা এবং ১১ হাজার ৪শত প্যাকেট শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মো. সহিদুজ্জামান বলেন, 'ভয়াবহ বন্যায় খাগড়াছড়ি অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার শুরু থেকেই আমরা বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম শুরু করেছি। ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম আরও ত্বরান্বিত করতে সোমবার পুরো জেলায় একযোগে বন্যাদুর্গত ৬,৩০০ পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। এর আগে আমরা বন্যার্তদের মাঝে রান্না করা খিচুড়ি, শুকনো খাবার বিতরণ করেছি। কোন পরিবার যেন সরকারি এ ত্রাণ পাওয়া থেকে বঞ্চিত না হয় সে দিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি। আমাদের এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।'
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর