
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় যেন আবাদি জমি খনন করে মাটি বিক্রির মহা উৎসব শুরু হয়েছে। প্রতিনিয়তই দিনে এবং রাতে বিভিন্ন আবাদি জমি থেকে মাটি উত্তোলন করে বিক্রয় করা হচ্ছে ইটের ভাটায়। এতে করে একদিকে যেমন মাটির মাটির উর্বরতা কমে গিয়ে ফসল উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে অন্যদিকে কাঁদা মাটি বহন করা পরিবহণ থেকে মাটির টুকরো রাস্তায় পড়ে চলাচলে বিঘ্ন হচ্ছে, ঘটছে সড়ক দুর্ঘটনা।
সরজমিনে দেখা যায়, উপজেলার ষোলটাকা গ্রাম থেকে বামন্দীর বিভিন্ন ইট ভাটায় মাটি বহন করছে প্রায় ২০/২৫ টি অবৈধ যান ট্রাক্টর। লোকাল সড়ক থেকে মহাসড়ক তাদের দখলে। মাটি ও কাঁদা বহনের সময় ট্রাক্টর থেকে মাটি-কাদা সড়কে ছিটকে পড়ছে। এ মাটি-কাঁদায় যে কোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরেন দুর্ঘটনা।
রাস্তায় চলাচলকারী পথচারীরা বলেন, বিভিন্ন এলাকার সড়কসহ মেহেরপুর-কুষ্টিয়া মহাসড়কেও মানুষের চলাচলের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। মাটি বহনকারী অবৈধ যান ট্রাক্টর বিভিন্ন ইট ভাটায় মাটি বহনের সময় কাঁদা মাটি রাস্তায় ছড়াতে ছড়াতে যাচ্ছে। যে কারণে সড়ক গুলি পরিণত হয়েছে মরণ ফাঁদে। খরার সময় একদিকে এই মাটি, ধূলিকণায় পরিণত হয়ে চালকদের চোখে পড়ছে, অন্য দিকে হালকা বৃষ্টির সময় সড়ক স্যাঁতসেঁতে হয়ে চলাচলের অনুপযোগী হচ্ছে। পথচারীরা এমন অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে চায়। তারা প্রশাসনের কাছে এই সড়ক সংকট থেকে মুক্তির অনুরোধ ও জোর দাবি জানিয়েছে।
এদিকে মাটি বিক্রয়কে কেন্দ্র করে জোড়পুকুরিয়া এলাকার মাটি ব্যবসায়ী জুনাব আলীর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিককে বলেন, আপনি জাজ না ব্যারিস্টার, আমার মাটি আমি কাটবো আপনার কাছে কেন জবাবদিহিতা করতে হবে। জবাব যাদের কাছে দেওয়ার দরকার তাদের কাছে দিবো।
গাংনী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রীতম সাহা জানান, আগেও অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। বর্তমানে অভিযান চলমান রয়েছে। যারা কৃষি জমি খনন করে মাটি বিক্রয় করছেন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
শাকিল/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর