
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের প্রশ্নে অসঙ্গতির ঘটনায় পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ পূর্ণ সংরক্ষণেই কাজ করবে বিশ্ববিদ্যালয়টি। এছাড়া এমন ঘটনায় দুঃখও প্রকাশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।
রোববার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে প্রধান সমন্বয়কারী আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামের (ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট) অধ্যাপক ড. মাহমুদ ওসমান ইমাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোন ঘটনা ঘটেনি উল্লেখ করে এতে বলা হয়, গত ০৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২০২৫ শিক্ষাবর্ষের ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষার স্বল্পসংখ্যক প্রশ্নপত্রে কিছু অসংগতি ও ভুলত্রুটি চিহ্নিত করেছে ইতঃপূর্বে গঠিত সংশ্লিষ্ট কমিটি। নিবিড় পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শুধুমাত্র এমসিকিউ অংশে অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে একসেট প্রশ্নপত্রের মধ্যে অন্য সেট প্রতিস্থাপিত হওয়ায় ইংরেজি বিষয়ের স্বল্পসংখ্যক প্রশ্নের ক্রমধারায় ত্রুটি এবং একাউন্টিং বিষয়ের কিছু প্রশ্নের পুনরাবৃত্তি চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে, এই মর্মে নিশ্চিত করা যাচ্ছে যে, এই পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোন ঘটনা ঘটেনি।
এতে আরও বলা হয়, এমন অনাকাঙ্ক্ষিত ত্রুটির কারণে পরীক্ষার্থীদের প্রাপ্য ফলাফল যাতে কোনোভাবে প্রভাবিত না হয় তা বিবেচনায় রেখে স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় এমসিকিউ এর উত্তরপত্র মূল্যায়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে আমরা আশ্বস্ত করছি যে, বিশেষজ্ঞদের মতামতের আলোকে ন্যায্যতা ও স্বচ্ছতার ভিত্তিতে উল্লিখিত অসংগতি সমূহ নিরসনের সকল প্রক্রিয়া ইতোমধ্যে গ্রহণ করা হয়েছে এবং এ কার্যক্রম এখনো চলমান রয়েছে যাতে পরীক্ষার্থীদের স্বার্থ পূর্ণ সংরক্ষণ করা যায়। উল্লেখ্য যে, ফলাফল প্রকাশের পর কোনো পরীক্ষার্থী প্রাপ্ত ফলাফলে সন্তুষ্ট না হলে যথাযথ প্রক্রিয়ায় আবেদনের মাধ্যমে উত্তরপত্র পুনঃমূল্যায়নের সুযোগ রয়েছে। অনিচ্ছাকৃত এই ভুলের জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
প্রসঙ্গত, ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্রের ‘এ’ সেটে অ্যাকাউন্টিং অংশে ২৫ নম্বরে প্রশ্ন এসেছে, ‘তাসনু ট্রেডার্স ভুলক্রমে ৮০ হাজার টাকার অনুপার্জিত সেবা আয়ের অর্জনের সমন্বয় সাধন করেনি। আর্থিক বিবরণীতে এর ফলাফল কী হবে?’। একই প্রশ্ন ৩৩ নম্বরে পুনরায় ছাপা হয়েছে। সেটের ২৬ নম্বরে ‘মাহরিন ও মেহনাজ একটি অংশীদারি ব্যবসায়ের দুইজন অংশীদার। তাদের মুনাফা বণ্টন অনুপাত ৫:২। তারা স্নেহাকে ১/৪ অংশ মুনাফা বণ্টনের চুক্তিতে ব্যবসায়ে নতুন অংশীদার হিসাবে গ্রহণ করে। তাদের মুনাফার নতুন অনুপাত কত?’ প্রশ্নটি এসেছে। একই প্রশ্ন ৩৪ নম্বরে পুনরায় ছাপা হয়। এছাড়া আরো কিছু অসংগতি লক্ষ্য করা যায়।
শাকিল/সাএ
সর্বশেষ খবর
ক্যাম্পাস এর সর্বশেষ খবর