
নবীগঞ্জ উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের ইনামবাঐ গ্রামে ঈদের জামাতে কথা কাটাকাটির জের ধরে পর্তুগাল প্রবাসীর হামলায় আহত দুবাই প্রবাসী মামদ আলী (৬০) ৩ দিন পরে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) রাত ৩টায় তার মৃত্যু হয়েছে।
পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য হবিগঞ্জ মর্গে প্রেরন করেছে। এ ঘটনা নিয়ে এলাকায় চরম উত্তেজনা ও ক্ষোভ বিরাজ করছে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, পুর্ব বিরোধের জের ধরে উপজেলার বাউসা ইউনিয়নের ইনামবা ঐ গ্রামের প্রাক্তন চেয়ারম্যান রুসমত উল্লার ছেলে দুবাই প্রবাসী মামদ আলী (৬০) ঈদের জামাত (৩১ মার্চ) শেষে বাড়ী ফেরার পথে তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে মৃত জুনাব আলীর ছেলে পর্তুগাল প্রবাসী ভাতিজা রাজু মিয়া, সাবাজ আলীর ছেলে ছানু মিয়া, ছানু মিয়ার ছেলে সোহান মিয়াসহ ৬/৭ জনের একদল দল ধারালো অস্ত্রসহ কাঠের রুল দিয়ে মামদ আলীকে বেদরক মারপিট করে।
এতে তার বুক, পিঠ, পা’সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়। পিতাকে বাচাঁতে গিয়ে মেয়ে তানিয়া আক্তার (২৫) এগিয়ে আসলে তাকেও মারপিট করেন রাজু মিয়া গংরা। গুরুতর আহতাবস্থায় তাদেরকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে এসে চিকিৎসা দেয়া হয়। আহত মামদ মিয়াকে এক্স-রেসহ বিভিন্ন পরীক্ষা দেয়া হয়। ৩রা এপ্রিল দিবাগত রাত ২ টার দিকে তার অবস্থার অবনতি ঘটলে স্বজনরা দ্রুত উপজেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার মামদ আলীকে মৃত ঘোষনা করেন।
পরে রাতেই ওসি (তদন্ত) দুলাল মিয়ার নেতৃত্বে একদল পুলিশ মৃতের ছুরতহাল শেষে হাসপাতাল থেকে মৃতদেহ থানায় নিয়ে আসেন। শুক্রবার সকালে ময়না তদন্তের জন্য মৃতদেহ হবিগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরন করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মামলার প্রস্তুতি চলছে। নিহতের পরিবার মামদ আলীর মেয়ে তানিয়া বেগম বলেন, হত্যাকারী ভাতিজা রাজু মিয়া পর্তগাল প্রবাসী সে যে কোন সময় পালিয়ে যেতে পারে। এ জন্য তাকে সহ জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানান।
নবীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. কামাল হোসেন জানান, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। ময়না তদন্তের রিপোট আসলে অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
মুনতাসির/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর