
চুয়াডাঙ্গা ছাড়ছেন বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষেরা। দীর্ঘ নয়দিনের ছুটি কাটিয়ে এবার নিজ নিজ কর্মস্থলে ফেরার পালা। তবে রেলপথ ও বাসপথে ভোগান্তি ছাড়াই যাতায়াত করছে।
বাসে এবার টিকিট প্রতি ১০০ টাকা বাড়তি। আর ট্রেনের টিকিট স্বাভাবিক থাকলেও চিত্রা এক্সপ্রেসের টিকিটে দাম বাড়তি। আজ শনিবার(05.04.25) স্টেশন ও বাস কাউন্টার গুলো ঘুরে এই চিত্র দেখা যায়।
জানাগেছে, টানা ছুটি কাটিয়ে কর্মস্থলে ফিরে যাচ্ছে নাড়ীর টানে বাড়ি আসা মানুষেরা। চুয়াডাঙ্গা থেকে সড়ক ও রেলপথে যাতায়াত করছে সব শ্রেণী পেশার মানুষ। তবে ফিরতি সময়েও অনেকটা স্বস্তি রয়েছে চলাচলে। এবার ঢাকাগামী ট্রেনে তেমন কোন অভিযোগ নেই যাত্রী সাধারনের। কিন্তু অন্যান্য জেলায় যাতায়াতে কিছুটা ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।
ট্রেনে কিছুটা বিলম্ব তো রয়েছেই, সেই সাথে টিকিট না পাওয়ার বিড়ম্বনাও দেখা দিয়েছে। তপ্ত রোদের গরমে অস্বস্তি উপেক্ষা করে লাইনে দাঁড়িয়ে ট্রেনের টিকিট সংগ্রহ করতে দেখা গিয়েছে। তবে অন্যান্য ট্রেনের টিকিটের তুলনায় দাম বাড়তি চিত্রা ট্রেনের টিকিট। প্রতি টিকিটে ৫০ টাকা বাড়তি চিত্রা এক্সপ্রেসে। এখানে যাতায়াতকারীদের কিছু দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।
এদিকে বাস যাত্রায় স্বস্তি দেখা গেছে। কিন্তু টিকিট প্রতি ১০০ টাকা বাড়িয়ে সাড়ে ৭শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর তাই যাত্রীরা অসন্তোষ প্রকাশ করেছে। স্টেশন ও বাস কাউন্টারে যাত্রীদের পরিবার পরিজন এবং মালপত্র নিয়ে উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে।
কথা হলে ট্রেনের যাত্রী অপু বিশ্বাস বলেন, ঈশ্বরদি ছাড়িয়ে আব্দুল্লাপুর যাবো। কিন্তু এখনো ট্রেন আসীনি। ২ টার ট্রেন ২টা ৩০ বেজে গেল এখনো আসেনি এতে কিছুটা দূর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে গরমে।
চাকরিজীবী রতন আলী, তিনি যাবেন ঢাকায় তার কর্মস্থলে। এসময় তিনি বলেন, স্বস্তিতে ঢাকা থেকে চুয়াডাঙ্গায় এসেছি। আবার ঢাকায় ফিরে যাচ্ছি। যাতায়াতের কোন ভোগান্তি নেই। কিন্তু চিত্রা এক্সপ্রেসের টিকিটের দাম বেশি। তাছাড়া কোন সমস্যা নেই।
চুয়াডাঙ্গার বাস যাত্রী কামরুল হাসান সোহাগ বলেন, বাসে যাতায়াতে স্বস্তি। পদ্মা সেতু হওয়াতে যাতায়াতের কোন ভোগান্তি নেই। কিন্তু ভাড়া তো বেশি। টিকিটে ১০০ বাড়তি। ৭৫০ টাকা দিয়ে ঢাকায় যেতে হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গা স্টেশন মাস্টার মিজানুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটি শেষে ট্রেনের যাতায়াত স্বস্তিতে যাচ্ছে এবার। তবে ভাড়া আগের মতো আছে। তবে চিত্রা ট্রেনের ভাড়া ৫০ টাকা বাড়তি হয়েছে।
তাছাড়া সব ট্রেনের ভাড়া স্বাভাবিক। যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে জেলা মুখো যে ট্রেনগুলা আছে। সেগুলো ২০ মিনিট আগপেছ করে আসছে। তবে সব মিলিয়ে এবার ট্রেনের যাত্রা স্বস্তিবোধ।
মুনতাসির/সাএ
সর্বশেষ খবর