
নীলফামারী জেলা জামায়াতের আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, ছাত্র জনতার রক্তের বিনিময়ে দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামীর ব্যানারে প্রকাশ্যে ঈদ পুনর্মিলনীর সুযোগ পেয়েছি। আমরা ছাত্র জনতার রক্তে অর্জিত বাংলাদেশে অসহায় মানুষদের পাশে থাকতে চাই। তিনি শনিবার সন্ধ্যায় কিশোরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আয়োজনে ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথাগুলো বলেন।
কিশোরগঞ্জ উপজেলা জামায়াত অফিস মাঠে উপজেলা জামায়াতের আমীর মোঃ আব্দুর রশিদ শাহ্-এর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি ফেরদৌস আলমের সঞ্চালনায় ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়। এতে আরও বক্তব্য রাখেন নীলফামারী জেলা জামায়াতের শুরা ও কর্মপরিষদের সদস্য মোঃ সাদের হোসেন, নীলফামারী জেলা জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এবং নীলফামারী বার এসোসিয়েশনের সভাপতি এ্যাডভোকেট আল ফারুক আব্দুল লতিফ, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর আখতারুজামান বাদল প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে যে অপরাধ করেছে, আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা ব্যক্তিগতভাবে যে অপরাধ করেছে, এই বাংলাদেশে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার অধিকার এবং নেতাকর্মীদের অধিকার কখনো দেওয়া যেতে পারে না।
তারা মন্তব্য করেন, "তাদেরকে নিয়ে এসে আবার নির্বাচন করতে চান? যাদের বিরুদ্ধে আন্দোলন করতে গিয়ে আপনাদের নেতাকর্মীদের জেলে থাকতে হয়েছে। আপনাদের নেত্রীকে বছরের পর বছর কারাভোগ করতে হয়েছে। কিন্তু আমরা ফ্যাসিস্ট দলটিকে দলীয় ও ব্যক্তিদের আবারও রাজনীতির ময়দানে আসতে দিতে পারি না।"
তারা আরও বলেন, "এ রকম খোলামেলা পরিবেশে সাড়ে ১৫ বছর পর নতুন মাত্রায় আনন্দক্ষণ পরিবেশে ঈদ করতে পেরেছি। যে পরিবেশে ফ্যাসিস্ট সরকারের ছোবল নেই। রমজান মাসের শিক্ষা নিয়ে ঈদকে স্মরণ করে আমরা একটি এমন বাংলাদেশ কায়েম করি, যেখানে কোন বেইনসাফি থাকবে না, কোন অন্যায় থাকবে না, যেখানে কোন আয়না ঘর থাকবে না, যেখানে মানুষ কথা বলার অধিকার পাবে এবং ন্যায় অধিকার বুঝে পাবে।" তারা আরও বলেন, "যে কারণে ৫ আগস্ট ছাত্র জনতা আন্দোলনের মাধ্যমে রক্ত দিয়ে ফ্যাসিস্ট সরকারকে বাংলাদেশ থেকে বিতারিত করেছে। আন্দোলনের ফসল পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে একটি সুখী সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গঠন করতে হবে।"
সালাউদ্দিন/সাএ
সর্বশেষ খবর
জেলার খবর এর সর্বশেষ খবর